আজ সোমবার সকাল ৬:৩৭, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২রা সফর, ১৪৩৯ হিজরী

ঈদের দ্বিতীয় দিনে বিক্রি হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৭ , ৪:০০ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : অর্থনীতি
পোস্টটি শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হচ্ছে। পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই উৎসব উদযাপন করছেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা।

দেশের বাজারে কোরবানির ঈদকেই মনে করা হয় ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম। স্বাভাবিক প্রয়োজন ছাড়াও কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য এই সময় ফ্রিজ বিক্রি ব্যাপক বেড়ে যায়। যে কারণে বিক্রেতারা সারা বছর অপেক্ষা করেন এই সময়ের জন্য। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ফ্রিজের সিংহভাগ মার্কেট শেয়ার ওয়ালটন গ্রুপের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদের দুদিন আগে সারা দেশে ফ্রিজের বাম্পার সেল করেছেন দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি।

নিজস্ব কারখানায় প্রস্তুতকৃত ওয়ালটন ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে ঈদের দ্বিতীয় দিনও। রোববার খুলনায় গল্লামারী বাস স্ট্যান্ডের ওয়ালটন প্লাজায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতার উপস্থিতি।

ওয়ালটন প্লাজায় ফ্রিজ কিনতে এসেছিলেন খুলনার স্থায়ী নিবাসি মাহমুদুল ইসলাম। ঢাকায় কর্মরত মাহমুদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঈদের আগেই ফ্রিজ কিনতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সময় মতো বাড়িতে না পৌঁছানোয় ঈদের আগে ফ্রিজ কিনতে পারেননি।

‘ইচ্ছে ছিল ঈদের আগেই ফ্রিজ কেনার। কিন্তু ঢাকা থেকে বাড়িতে আসতে প্রচণ্ড জ্যামের মুখে পড়তে হয়। মাওয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। বাড়িতে ফিরে আগে কোরবানির পশু কিনি। ঈদ যেহেতু তিন দিনের তাই আমরা আজ কোরবানি দেব। ফ্রিজ কিনে নিয়ে যাচ্ছি যেন কোরবানির পশুর মাংস ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে পারি। ওয়ালটন আমাদের দেশীয় পণ্য। তাদের ফ্রিজের মানও ভালো ও দামে সাশ্রয়ী। তাই দেশীয় ব্রান্ডের ওপর আস্থা রাখছি।’

বিক্রেতারা জানান, এখানে নন-ফ্রস্ট ফ্রিজের বিক্রির পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন টেম্পারড গ্লাস ডোর, ব্যাচেলর ও বার ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে বেশি। শুধু যে ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে এমনটা নয়, ওয়ালটনের প্রস্তুতকৃত টিভি, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, এসি বিক্রিও হচ্ছে।

গল্লামারীর ওয়ালটন প্লাজার ইনচার্জ মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, ক্রেতাদের আস্থা ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঈদের দ্বিতীয় দিনও ওয়ালটন প্লাজা খোলা রয়েছে।

জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ঈদের আগে প্রচণ্ড চাপ ছিল। এ ছাড়া আমাদের রেগুলার কাস্টমার আছে। তাদের অনুরোধেই ঈদের পরদিনও শো-রুম খোলা রেখেছি। ঈদের সময় ফ্রিজের ব্যবসা-বাণিজ্যও ভালো হয়। ক্রেতারা আমাদের তৈরিকৃত ফ্রিজের ওপর আস্থা রাখছে। তাদের ভালো এবং উন্নত সেবা দিতেই আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।’

দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন কোরবানির ঈদে পাঁচ লাখ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট করেছিল। গত ঈদে প্রতিষ্ঠানটি চার লাখ ফ্রিজ বিক্রি করেছিল ওয়ালটন। সারা দেশে ৩০০টি ওয়ালটন প্লাজা ও ১০ হাজারের বেশি বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হয় ওয়ালটনের ফ্রিজ। সর্বনিম্ন ১৭ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটনের ফ্রিজ।

এনার্জি রেটিং এ ওয়ালটন ফ্রিজ পেয়েছে বিএসটিআইয়ের ফাইভ স্টার রেটিং। ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং কম্প্রেসারে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টির সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনেই রয়েছে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এর আওতায় সারা দেশে ৭০টি সার্ভিস সেন্টার, ৩০০টিরও বেশি ওয়ালটন প্লাজা এবং সহস্রাধিক পরিবেশক বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ান বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছেন। ফ্রিজে দেওয়া হচ্ছে হোম সার্ভিসও।