হজ্ব ফ্লাইট মিস করেছেন ৩০ জন যাত্রী

টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট মিস করেছেন ৩০ জন যাত্রী। শারজাগামী এসব যাত্রীর সোমবার (৮ জুলাই) রাত ৮টার ফ্লাইটে আবুধাবি যাওয়ার কথা ছিল।

নির্ধারিত সময়ের পরে স্টেশনে আসায় এই যাত্রীরা ফ্লাইট মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন এয়ার অ্যারাবিয়ার স্টেশন ম্যানেজার বখতিয়ার আলী। তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন, তারা নির্ধারিত সময় থেকে অনেক বেশি সময় হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে রওনা দিয়েছিলেন, কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে যথা সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারেননি।

ফ্লাইট মিস করা যাত্রীদের একজন রাঙামাটির কাপ্তাই এলাকার ইমারুল ইসলাম শোভন। তিনি বলেন, ‘সকাল ৮টায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম। দুপুর ২টায় নগরীর অক্সিজেন এলাকায় এসে পৌঁছায়।

সেখান থেকে বিমানবন্দরে আসতে ছয় ঘণ্টা সময় লেগেছে। রাত ৮টা ১৫ মিনিটে আমি বিমানবন্দর পৌঁছায়, কিন্তু ততক্ষণে ফ্লাইটটি ছেড়ে গেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘শুধু জলাবদ্ধতার কারণে ফ্লাইট মিস করেছি।’

একই অভিযোগ করেন হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুরের মনসুর আলম। মনসুরও ওই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অন্য সময় তিন ঘণ্টায় বাড়ি থেকে এয়ারপোর্ট যেতে পারি।

সেই হিসাব করে আজ হাতে আরও ২ ঘণ্টা বেশি সময় নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে ছয় ঘণ্টায়ও পৌঁছাতে পারিনি। রাত ৮টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দর পৌঁছে দেখি ফ্লাইট ছেড়ে গেছে।’

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে এয়ারা অ্যারাবিয়ার স্টেশন ম্যানেজার বখতিয়ার আলী বলেন, ‘কখনও একসঙ্গে এত যাত্রীর বিলম্ব হয়নি। আজ প্রথম ৩০ জন যাত্রী ফ্লাইট মিস করেছেন। শারজাগামী ওই ফ্লাইটে ১৬৮ জন যাত্রীর যাওয়ার কথা ছিল।

যারা যেতে পারেননি, তারা সবাই রাত ৮টার পর বিমানবন্দরে এসেছিলেন।’বখতিয়ার আলী আরও বলেন, ‘প্রতিদিন আমরা ৭টায় কাউন্টার ক্লোজ করি। আজ বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রেখেছিলাম।

ফ্লাইটটিও ১৫ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে। যাদের ফ্লাইট মিস হয়েছে, তাদের ট্যাক্সের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর