১৯, ডিসেম্বর, ২০১৮, বুধবার | | ১০ রবিউস সানি ১৪৪০

সরকারি হলো যে ২৭১ কলেজ, দেখুন..

আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৮

সরকারি হলো যে ২৭১ কলেজ, দেখুন..

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আরও ২৭১টি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। রবিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ৮ আগস্ট থেকে এ আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়ার পর আজ আদেশ জারি করা হলো।

সরকারি হওয়া কলেজগুলোর মধ্যে ঢাকা জেলার ৪টি, মানিকগঞ্জের ৪টি, নারয়ণগঞ্জের ৩টি, মুন্সীগঞ্জের ৩টি, গাজীপুরের ৩টি, নরসিংদীর ৪টি, রাজবাড়ির ২টি, শরীয়তপুরের ৪টি, ময়মনসিংহের ৮টি, কিশোরগঞ্জে ১০টি, নেত্রকোনার ৫টি, টাঙ্গাইলে ৮টি, জামালপুরে ৩টি, শেরপুরে ৩টি, চট্টগ্রামে ১০টি, কক্সবাজারে ৫টি, রাঙামাটি ৪টি, খাগড়াছড়িতে ৬টি, বান্দরবানে ৩টি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ফেনীতে একটি করে, কুমিল্লায় ১০টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬টি, চাঁদপুরে ৭টি, সিলেটে ৯টি, হবিগঞ্জে ৫টি, মৌলভীবাজারের ৫টি, সুনামগঞ্জে ৮টি, রাজশাহীতে ৭টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২টি, নাটোরে ৩টি, পাবনায় ৭টি, সিরাজগঞ্জে ৩টি, নওগাঁ জেলায় ৬টি, বগুড়ায় ৬টি, জয়পুরেহাটে একটি, রংপুরে ৭টি, নীলফামারীতে ৪টি, গাইবান্ধায় ৪টি, কুড়িগ্রামে ৭টি, দিনাজপুরে ৯টি লালমনিরহাটে ৩টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ১টি, পঞ্চগড়ে ৪টি, খুলনায় ৫টি, যশোরে ৫টি, বাগেরহাটে ৬টি, ঝিনাইদহে একটি, কুষ্টিয়ায় ২টি, চুয়াডাঙ্গায় ২টি, সাতক্ষীরায় ২টি, মাগুরায় ৩টি, নড়াইলে একটি, বরিশালে ৬টি, ভোলায় ৪টি, ঝালকাঠিতে ৩টি, পিরোজপুরে দুটি, পটুয়াখালীতে ৬টি, বরগুনায় তিনটি করে কলেজ রয়েছে।

এই ২৭১টি বেসরকারি কলেজ সরকারি হওয়ার পর পর দেশে মোট সরকারি কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯৮টি। এ ২৭১টি কলেজে রয়েছেন অন্তত ১০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। আজ থেকেই তারা সরকারি বেতন-ভাতাসহ সব সুবিধা পাবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ২০১০ সালে সরকারি স্কুল ও কলেজবিহীন উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময়ে ৩২৯টি স্কুল ও ২৯৯টি কলেজ জাতীয়করণে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্মতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মাউশির (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর) কর্মকর্তারা সরজমিন পরিদর্শন করে স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্যসহ আনুষঙ্গিক সব তথ্য সংগ্রহ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের সব সম্পত্তি সরকারকে ডিড অব গিফট (দানপত্র) দলিল করে দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। স্কুলগুলো ধাপে ধাপে জাতীয়করণ করা হলে বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতির চাপে আটকে যায় কলেজ সরকারিকরণ।

এর আগে মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি কলেজ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিপ্রাপ্ত ২৯৩টি কলেজ সরকারি করতে অর্থ ছাড়ের সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতি বছর ১০০ কলেজ জাতীয়করণের প্রস্তাব দিয়ে গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছিল। তিন ধাপে জাতীয়করণ হলে অসম প্রতিযোগিতা ও ঘুষ দুর্নীতির আশঙ্কায় একসঙ্গে জাতীয়করণ করতে পাল্টা চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত গড়ালে শেষ পর্যন্ত পিছু হটে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখার এক কর্মকর্তা জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে স্কুল-কলেজ জাতীয়করণে অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো বরাদ্দ রাখেনি। জাতীয়করণসহ চার হাজার ৯৭১ কোটি ৬০ লাখ টাকা বাড়তি বরাদ্দ চেয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রণালয়ে চিঠি লেখেন সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

চিঠিতে তিনি লেখেন, ৩২৯টি স্কুল ও ২৯৯টি কলেজ সরকারিকরণের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে সরকারিকরণ কার্যক্রমের জন্য চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নতুন সরকারিকরণকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ শুরু হচ্ছে। এজন্য আগামী অর্থবছরে সরকারিকরণকৃত ৩২৭টি স্কুলের জন্য ৩৪৯ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার এবং ২৯৯টি কলেজের জন্য ৬২৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রয়োজন। দেশে বর্তমানে ৩৩৫টি সরকারি কলেজ রয়েছে। ৩১৫টি উপজেলায় কোনো সরকারি কলেজ নেই।

ঢাকা জেলায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে সাভার উপজেলায় সাভার কলেজ, কেরানীগঞ্জে ইস্পাহানী ডিগ্রি কলেজ, দোহারে পদ্মা কলেজ, নবাবগঞ্জে দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ।

মানিকগঞ্জ জেলায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে সিঙ্গাইরে সিঙ্গাইর ডিগ্রি কলেজ, শিবালয়ে মহাদেবপুর ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ, হরিরামপুরে বিচারপতি নুরুল ইসলাম মহাবিদ্যারয়, দৌলতপুরে মতিলাল ডিগ্রি কলেজ।

নারায়ণগঞ্জ জেলায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে বন্দর থানায় কদম রসুল কলেজ, সোনারগাঁওয়ে সোনারগাঁও ডিগ্রি কলেজ, রূপগঞ্জে মুড়াপাড়া কলেজ।

মুন্সীগঞ্জ জেলায় সরকারি হয়েছে সিরাজদীখান উপজেলায় বিক্রমপুর কে বি ডিগ্রি কলেজ, টঙ্গীবাড়ীতে বিক্রমপুর টঙ্গীবাড়ী ডিগ্রি কলেজ, লৌহজংয়ে লৌহজং বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।

গাজীপুরে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে কাপাসিয়ায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ ডিগ্রি কলেজ, শ্রীপুরে শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী কলেজ, কালীগঞ্জে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ।

নরসিংদী জেলায় সরকারিকরণ হয়েছে বেলাবো উপজেলায় হোসেন আলী ডিগ্রি কলেজ, রায়পুরা উপজেলায় রায়পুরা কলেজ, মনোহরদীতে মনোহরদী ডিগ্রি কলেজ, পলাশে পলাশ ডিগ্রি কলেজ।

রাজবাড়ী জেলায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ, কালুখালীতে কালুখালী কলেজ।

শরীয়তপুরে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে ভেদরগঞ্জে এম এ রেজা ডিগ্রি কলেজ, গোসাইরহাটে শামসুর রহমান ডিগ্রি কলেজ, ডামুড্যায় পূর্ব মাদারীপুর কলেজ, জাজিরায় বি.কে নগর বঙ্গবন্ধু কলেজ।

ময়মনসিংহে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে ভালুকায় ভালুকা ডিগ্রি কলেজ, ধোবাউড়ায় ধোবাউড়া আদর্শ কলেজ, ত্রিশালে নজরুল কলেজ, হালুয়াঘাটে হালুয়াঘাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ, ফুলপুরে ফুলপুর ডিগ্রি কলেজ, তারাকান্দায় বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, নান্দাইলে শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ, ফুলবাড়িয়ায় বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা মহাবিদ্যালয়।

কিশোরগঞ্জে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে করিমগঞ্জে করিমগঞ্জ মহাবিদ্যালয়, তাড়াইলে তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, বাজিতপুরে বাজিতপুর কলেজ, হোসেনপুরে হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ, অষ্টগ্রামে রোটারি ডিগ্রি কলেজ, কটিয়াদীতে কটিয়াদী কলেজ, কুলিয়ারচরে কুলিয়ারচর ডিগ্রি কলেজ, নিকলীতে মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ কলেজ, পাকুন্দিয়ায় পাকুন্দিয়া কলেজ, মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক কলেজ।

নেত্রকোনায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে বারহাট্টায় বারহাট্টা কলেজ, খালিয়াজুড়িতে কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কলমাকান্দায় কলমাকান্দা ডিগ্রি কলেজ, কেন্দুয়ায় কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজ, পূর্বধলায় পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ।

টাঙ্গাইলে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে কালিহাতিতে শামছুল হক মহাবিদ্যালয়, দেলদুয়ারে সৈয়দ মহব্বত আলী ডিগ্রি কলেজ, বাসাইলে জোবেদা রুবেয়া মহিলা কলেজ, গোপালপুরে গোপালপুর কলেজ, ঘাটাইলে জি. বি. জি কলেজ, মির্জাপুরে মির্জাপুর কলেজ, মধুপুরে মধুপুর কলেজ, ধনবাড়ীতে ধনবাড়ী কলেজ।

জামালপুর জেলায় সরকারি হওয়া নতুন কলেজগুলো হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জে এ কে মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, সরিষাবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু কলেজ, ইসলামপুরে ইসলামপুর কলেজ।

শেরপুর জেলায় সরকারি হওয়া তিনটি সরকারি কলেজ হচ্ছে নকলায় হাজি আল মামুন কলেজ, নলিতাবাড়ীতে নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, ঝিনাইগাতীতে আদর্শ মহাবিদ্যালয়।

চট্টগ্রাম জেলার ১০টি থানা/উপজেলায় একটি করে কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে লোহাগাড়া উপজেলায় চুনতি মহিলা (ডিগ্রি) কলেজ, সীতাকুণ্ডে সীতাকুণ্ড মহিলা কলেজ, আনোয়ারায় আনোয়ারা কলেজ, হাটহাজারীতে হাটহাজারী কলেজ, বায়েজিদ থানায় আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ, ফটিকছড়িতে ফটিকছড়ি বিশ্ববিদ্যারয় কলেজ, বাঁশখালীতে আলাওল ডিগ্রি কলেজ, মীরসরাইয়ে নিজামপুর কলেজ, রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গুনিয়া কলেজ।

কক্সবাজার জেলায় কুতুবদিয়ায় কুতুবদিয়া কলেজ, চকরিয়ায় চকরিয়া কলেজ, টেকনাফে টেকনাফ ডিগ্রি কলেজ, রামুতে রামু ডিগ্রি কলেজ, মহেশখালীতে বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ।

রাঙ্গামাটি জেলায় সরকারি হয়েছে চারটি কলেজ। এগুলো হচ্ছে বাঘাইছড়ি কাচালং ডিগ্রি কলেজ, নানিয়ারচরে নানিয়ারচর কলেজ, কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলি (ডিগ্রি) কলেজ, কাউখালী কাউখালী ডিগ্রি কলেজ।

খাগড়াছড়িতে ৬টি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে দীঘিনালায় দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজ, পানছড়িতে পানছড়ি ডিগ্রি কলেজ, মহালছড়িতে মহালছড়ি কলেজ, মাটিরাঙ্গায় মাটিরাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ, মানিকছড়িতে মানিকছড়ি গিরি শৈত্রী ডিগ্রি কলেজ, গুইমারাতে গুইমারা কলেজ।

বান্দরবানে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে লামায় মাতামুহিুরী কলেজ, নাইখ্যংছড়িতে হাজি এম এ কালাম ডিগ্রি কলেজ, রুমায় রুমা সাঙ্গু কলেজ।

নোয়াখালীতে একটি কলেজ নতুন করে সরকারিকরণ হয়েছে। এটি হচ্ছে সোনাইমুড়িতে সোনাইমুড়ি কলেজ।

লক্ষ্মীপুরেও একটি কলেজ নতুন করে সরকারিকরণ হয়েছে। এটি হচ্ছে কমলনগরে হাজিরহাট উপকূল কলেজ।

ফেনী জেলাতেও একটি কলেজ সরকারি হয়েছে। এটি হচ্ছে দাগনভুইয়ার ইকবাল মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ।

কুমিল্লা জেলায় ১০টি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। এগুলো হলো- ব্রাহ্মণপাড়ার বঙ্গবন্ধু কলেজ, বুড়িচংয়ের কালিকাপুর আবদুল মতিন খসরু ডিগ্রি কলেজ, মেঘনার মানিকারচর বঙ্গবন্ধু কলেজ, মনোহরগঞ্জের নীলকান্ত ডিগ্রি কলেজ, চান্দিনার দোল্লাই নোয়াবপুর কলেজ, মুরাদনগরের শ্রীকাইল কলেজ, লাঙ্গলকোটের লাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, সদর দক্ষিণের লালমাই কলেজ, হোমনার হোমনা ডিগ্রি কলেজ ও তিতাসের মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ কলেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ছয়টি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। এগুলো হলো- আখাউড়ার শহিদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ, নাসিরনগরের নাসিরনগর (ডিগ্রি) মহাবিদ্যালয়, বাঞ্ছারামপুরের বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ, সরাইলের সরাইল ডিগ্রি কলেজ, আশুগঞ্জের ফিরোজ মিয়া কলেজ ও কসবার আদর্শ মহাবিদ্যালয়।

চাঁদপুরে সাতটি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। এগুলো হলো- কচুয়ার বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, ফরিদগঞ্জের ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, মতলব উত্তরের ছেংখারচর ডিগ্রি কলেজ, মতলব দক্ষিণের মতলব ডিগ্রি কলেজ, হাইমচরের হাইমচর মহাবিদ্যালয়, হাজীগঞ্জের হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ ও শাহরাস্তির করফুলেন্নেছা মহিলা কলেজ।

সিলেটের গোয়াইনঘাটের গোয়াইনঘাট ডিগ্রি কলেজ, বালাগঞ্জের বালাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, ফেঞ্চুগঞ্জের ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণ ডিগ্রি কলেজ, কানাইঘাটের কানাইঘাট ডিগ্রি কলেজ, বিশ্বনাথের বিশ্বনাথ কলেজ,দক্ষিণ সুরমার দক্ষিণ সুরমা কলেজ, জৈন্তাপুরের ইমরান আহমদ মহিলা কলেজ, ওসমানিনগরে গোয়ালাবাজার আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ,সিলেট সদরে মদনমোহন কলেজ।

হবিগঞ্জ জেলায় সরকারিকরণ হয়েছে ৫টি কলেজ। এগুলো হলো, আজমিরীগঞ্জে আজমিরীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, মাধবপুরে শাহজালাল কলেজ, বানিয়াচংয়ে জনাব আলী ডিগ্রি কলেজ, নবীগঞ্জে নবীগঞ্জ কলেজ, বাহুবলে আলিম সোবহান চৌধুরী কলেজ।

মৌলভীবাজার জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, বড়লেখায় বড়লেখা ডিগ্রি কলেজ। কুলাউড়ায় কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ, রাজনগরে রাজনগর ডিগ্রি কলেজ, কমলগঞ্জে কমলগঞ্জ গণমহাবিদ্যালয়, ‍জুড়িতে তৈয়বুন্নে খানম একাডেমি ডিগ্রি কলেজ।

সুনামগঞ্জ জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, বিশ্বম্ভরপুরের দিগেন্দ্র বর্মণ ডিগ্রি কলেজ, ছাতকে ছাতক ডিগ্রি কলেজ, দিরাইয়ে দিরাই ডিগ্রি কলেজ, ধর্মপাশায় ধর্মপাশা ডিগ্রি কলেজ, দোয়ারাবাজারে দোয়ারাবাজার ডিগ্রি কলেজ, জগন্নাথপুরে জগন্নাথ ডিগ্রি কলেজ, শাল্লায় শাল্লা ডিগ্রি কলেজ, জামালগঞ্জে জামালগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ।

রাজশাহী জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, মোহনপুরে মোহনপুর ডিগ্রি কলেজ, বাঘায় শাহদৌলা ডিগ্রি কলেজ, তানোরে আবদুল করিম সরকার কলেজ, গোদাগাড়ীতে গোদাগাড়ী কলেজ, পবায় নওহাটা ডিগ্রি কলেজ, বাগমারায় ভবানীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, দুর্গাপুরে দাওকান্দি ডিগ্রি কলেজ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি করা কলেজগুলো হলো, গোমস্তাপুরে রহনপুর ইউসুফ আলী কলেজ, ভোলাহাটে ভোলাহাট মহিলা কলেজ।

নাটোর জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, নলডাংগায় শহীদ নজমুল হক ডিগ্রি কলেজ, বাগাতিপাড়ায় বাগাতিপাড়া ডিগ্রি কলেজ, বড়াইগ্রামে বড়াইগ্রাম অনার্স কলেজ।

পাবনা জেলায় সরকারিকরণ হয়েছে দুটি কলেজ। এগুলো হচ্ছে সাঁথিয়ায় সাঁথিয়া ডিগ্রি কলেজ, চাটমোহরে চাটমোহর ডিগ্রি কলেজ।

গাইবান্ধায় সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে সাদুল্লাপুরে সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজ, সুন্দরগঞ্জে সুন্দরগঞ্জ ডি ডব্লিউ ডিগ্রি কলেজ।

কুড়িগ্রামে সরকারি হওয়া কলেজগুলো হচ্ছে রাজীবপুরে রাজীবপুর ডিগ্রি কলেজ, চিলমারী ডিগ্রি কলেজ, নাগেশ্বরীতে নাগেশ্বরী কলেজ, ভুরুঙ্গামারীতে ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজ, রৌমারীতে রৌমারী ডিগ্রি কলেজ, ফুলবাড়ীতে সাইফুর রহমান মহাবিদ্যালয়, রাজারহাটে মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ।

দিনাজপুরে সরকারি করা কলেজগুলো হলো, বিরামপুরে বিরামপুর কলেজ, নবাবগঞ্জে আফতাবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বীরগঞ্জে বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বোচাগঞ্জে সেতাবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, পাবর্তীপুরে পার্বতীপুর ডিগ্রি কলেজ, হাকিমপুরে হাকিমপুর ডিগ্রি কলেজ, ঘোড়াঘাটে ঘোড়াঘাট ডিগ্রি কলেজ, চিরিরবন্দরে চিরিরবন্দর ডিগ্রি কলেজ, বিরলে বিরল ডিগ্রি কলেজ।

লালমনিরহাট জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, হাতীবান্ধায় আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, আদিতমারীতে আদিতমারী ডিগ্রি কলেজ, কালীগঞ্জে করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজ।

ঠাকুরগাঁও জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, হরিপুরে মোসলেহ উদ্দিন মহাবিদ্যালয়, বোদায় পাথরাজ মহাবিদ্যালয়, তেতুলিয়ায় তেতুলিয়া ডিগ্রি কলেজ, আটোয়ারীতে বঙ্গবন্ধু ডাংগীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয়, দেবীগঞ্জে দেবীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ।

খুলনা জেলার সরকারি করা কলেজগুলো হলো, ডুমুরিয়ায় শাহপুর মধুগ্রাম কলেজ, ফুলতলায় ফুলতলা মহিলা কলেজ, পাইকগাছায় পাইকগাছা কলেজ, তেরখাদায় নর্থ খুলনা কলেজ, বটিয়াঘাটায় বটিয়াখাটা (ডিগ্রি) মহাবিদ্যালয়।

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া মহাবিদ্যালয়, চৌগাছায় চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ, ঝিকরগাছায় শহীদ মশিয়ুর রহমান ডিগ্রি কলেজ, কেশবপুরে কেশবপুর ডিগ্রি কলেজ, মনিরামপুরে মনিরামপুর ডিগ্রি কলেজ।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ফকিরহাট ফজিলাতুননেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, রামপালে রামপাল ডিগ্রি কলেজ, চিতলমারীতে বঙ্গবন্ধু মহিলা ডিগ্রি কলেজ, মোড়েলগঞ্জে সিরাজউদ্দীন মেমোরিয়াল কলেজ, শরণখোলায় শরণখোলা ডিগ্রি কলেজ, মোল্লাহাটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মহিলা মহাবিদ্যালয়।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ।

কুষ্টিয়ার খোকসায় খোকসা কলেজ, কুমারখালীতে কুমারখালী কলেজ।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আলমডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ, জীবননগরে জীবন নগর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজ, কালীগঞ্জে কালীগঞ্জ কলেজ।

মাগুরার মুহাম্মদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জানান কলেজ, শালিখায় বিহারীলাল শিকদার মহাবিদ্যালয়, শ্রীপুরে শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজ।

নড়াইলের কালিয়ায় শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজ।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রি কলেজ, হিজলায় হিজলা ডিগ্রি কলেজ, মেহেন্দিগঞ্জে পাতারহাট আরসি কলেজ, মুলাদীতে মুলাদী কলেজ, উজিরপুরে শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজ, বাবুগঞ্জে আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ।

ভোলার তজুমদ্দিনে তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, দৌলতখানে দৌলতখান আবু আবদুল্লাহ কলেজ, বোরহান উদ্দিনে আব্দুল জববার কলেজ, মনপুরায় মনপুরা ডিগ্রি কলেজ।

‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্মীকরণকৃত বিধিমালা ২০১৮’ এর আওতায় এসব কলেজের শিক্ষকদের সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডারভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্তির সুযোগ রাখা নিয়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা ও সরকারি হতে যাওয়া কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে বেসরকারি কলেজের যে কোনো শিক্ষক শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে নিয়োগ পেতে পিএসসির অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। পিএসসির সুপারিশ পেলে তাকে শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আর ক্যাডারভুক্তি শিক্ষকরা বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও দফতরে বদলিও হতে পারবেন।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ