প্রেমের টানে পিলিপাইন থেকে বাংলাদেশে তরুণী, এলাকা ঘিরে চাঞ্চল্য

এবার বাংলাদেশি যুবকের প্রেমের টানে কিশোরগঞ্জে ছুটে আসেন তিন হাজার পাঁচশত ষোলো (৩,৫১৬) কিলোমিটারের দূরত্ব পিলিফাইনের এক তরুণী।তার নাম রোজালেস ফোরেন্সের।

শুধু দেশ ত্যাগ নয়, ফোরেন্স জন্মভূমি ছেড়ে, তার ধর্ম ত্যাগ করে কিশোরগঞ্জে তার প্রেমিক রাজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েও করেছেন।

বাড়ি ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজে। তার বাবার নাম পাপিনিয়ামো সাভান্ডাল ফোরেস এবং মায়ের নাম ক্রিস্টিটা রোজালেস ফোরেস।

অন্যদিকে তার প্রেমিকের নাম মো.জহিরুল ইসলাম রাজন। রাজন কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে।

এনালিনি রোজালেস ফোরেসের সঙ্গে রাজনের পরিচয় হয় ফেসবুকে। ফেসবুক, স্কাইপ, ইমোর সৌজন্যে দীর্ঘদিন চলে তাদের প্রেমালাপ।

কিন্তু ছবি কী আর মেটাতে পারে হৃদয়ের আকুলতা। তাই ফোরেন্স সব বাধা ডিঙিয়ে ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজ থেকে ২৭ জুন প্রেমিক বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের রাজনের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় চলে আসেন।

রাজনের পরিবারের সব কিছুই ভালোলাগার পর প্রেমিক মো. জহিরুল ইসলাম রাজনের পরিবারের সম্মতিতে শুক্রবার তাদের বিয়ে হয়।

শুক্রবার দুপুরে শহরের অতিথি কমিউনিটি সেন্টারে রাজন-ফোরেসের বৌ-ভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

বিয়ের আগে ফোরেন্স ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত।

কিশোরগঞ্জের ছেলের সঙ্গে ফিলিপিনো মেয়ের বিয়ের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। দূর-দূরান্ত থেকে কৌতূহলী মানুষ ছুটে আসছেন তাদের এক নজর দেখতে।

শহরের ষাটোর্ধ্ব আব্দুল জলিল বলেন, আগে খবরের কাগজে দেখতাম বিদেশি মেয়েরা বাঙালি ছেলের প্রেমের টানে চলে আসে। এবার তা নিজের চোখে দেখলাম।

বার্তাবাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর