রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৫নং কাবিলপুর ইউনিয়নে গত ৪জুলাই আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড কমিটিকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা মোজহারুল ইসলাম হান্নান এর ৩য় পুত্র জনাব জুয়েল মিয়াকে মারধর করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের অনুসারী কিছু লোকজন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আজ ৬জুলাই দুপুরে নিজ কাবিলপুর বাজারে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এবং স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময়
জুয়েল মিয়ার তার বক্তব্যে বলেন গত পরশু দিন আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার উদ্দেশ্যে টুকনীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় বরাবরের ন্যায় ওখানে আমি উপস্থিত হই। আমি দেখতে পাই চেয়ারম্যান একতরফাভাবে আওয়ামীলীগের পুরাতন কর্মীদের বাদ দিয়ে তার বাড়ির লোকজন দিয়ে ভোটার লিষ্ট করেছে। সেখানে আমি প্রতিবাদ জানালে চেয়ারম্যান আমার উপর উত্তেজিত হয়ে আমাকে মারতে আসে, এক পর্যায়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার উপর হামলা করে এতে আমি মারাত্মক ভাবে জখম হই।
তিনি আরো বলেন আমার বাবা এই দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন আর আমি তারই সন্তান। আমরা জন্মগতভাবে আওয়ামীলীগ করি। বর্তমান চেয়ারম্যান তো নব্য আওয়ামীলীগ। তার বাবা তো স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী ছিলেন,করতেন মুসলিমলীগ। আজ সেই রাজাকারদের হাতে আমাকে মার খেতে হলো। তিনি বলেন আমি এর বিচার চাই। দলের হাই কমান্ড থেকে শুরু করে উপজেলা নেত্রীবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এর যোগ্য বিচার দাবী করেছেন।
আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে চেয়ারম্যান পরিবারের লোকজন অনেক উশৃঙ্খল বলে অবিহিত করেন। তারা সবসময় যাকে তাকে ধরে মারধোর করে।এদের কাছে সাধারণ মানুষও রেহায় পায় না। তারা বলেন আমরা এরকম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এর বিচার চাই জেনো ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আর না ঘটে।
বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।