১৭, আগস্ট, ২০১৮, শুক্রবার | | ৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯

সিরাজদিখানে টেঁটা বল্লম সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু

আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৮

সিরাজদিখানে টেঁটা বল্লম সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু

 

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানা, নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা ও ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার অন্তর্ভূক্ত আকবরনগর গ্রামে আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৯ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় ছামেদ আলী গ্রুপ ও রহিম হাজী গ্রুপের মধ্যে টেটা বল্লম সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়।

এর মধ্যে ৩জন গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কেলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে মোঃ জয়নাল বেপারী (৫৫) নাকে এক ব্যক্তি রাত সাড়ে ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। সে কেরানীগঞ্জ থানার আকবর নগর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল এর পুত্র। এ ঘটনায় ওই এলাকায় দু-গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজান বিরাজ করছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফতুল্লা থানা পুলিশ মোতায়ের রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে স্থাণীয় প্রত্যক্ষদর্শী লোকজনদের সাথে কথা বললে তারা জানান, রহিম হাজী গ্রুপের লোকজনদের উপর ছামেদ আলী গ্রুপের লোকজন টেটা বল্লম দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে রহিম হাজী গ্রুপের ৩জনকে টেটা বিদ্ধ করে গুরুতর আহত করে। এরপর দু-পুক্ষের মধ্যে টেটা বল্লম ছোরাছুরির ঘটনা ঘটে। এতে আরো ১৭জন আহত হয়। রহিম হাজী গ্রুপের লোকজন তাদের ৩জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোঃ জয়নাল বেপারী মারা যায়।

নিহত মোঃ জয়নাল বেপারীর কন্যা জোনাকী জানান, সন্ত্রাসী ছামেদ আলীসহ তার লোকজন আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে আমি তাদের ফাসি চাই।
আকবর নগর গ্রামের মোঃ মোক্তার হোসেন জানান, আদিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসী ছামেদ আলী ও তার লোকজন এমন কোন অপকর্ম নাই যে তারা করেনা। এই ছামেদ আলীর ফাসি না হলে এলাকার মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না।

আকবরনগর গ্রামের হাজী মমতাজ উদ্দিন জানান, ছামেদ আলীর ছেলে কাছে আমার মেয়ে বিয়ে দিয়েছি। আমি জানি সে কত বড় নরপিচাশ। মানুষ মেরে ফেলা তার কাছে কোন ব্যপার না। তাই নিরহ জয়নালকে ছামেদ আলী ও তার লোকজন টেটার আঘাতে মেরে ফেলেছে। আমি তাদের ফাসি চাই।

ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ মনজুর কাদের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় একটি মার্ডার মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।