টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দৈনিক যুগান্তরের গোপালপুর সংবাদদাতা সেলিম হোসেনকে খুবই পরিতাপের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ,অক্ষত অবস্থায় বাঁচানো যাচ্ছেনা। পায়ে পঁচন ধরায় একটি পা কেটে ফেলতে হচ্ছে। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটায় সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছি। হাসপাতালে অবস্থানরত তার আত্মীয়স্বজনের সাথে কথা বলে চূড়ান্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ পর্যন্ত তিনদফা অপারেশনে তার শরীরের অবস্থা খুবই নাজুক। ব্যাপক রক্তক্ষরণ নাজুকের অন্যতম কারণ। কদিন ধরেই তেমন কিছু খেতে পারছেনা সে। মানসিকভাবে অনেকটা দুর্বল হওয়ায় আত্মীয়স্বজনরা তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন।
পঁচন শরীরের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আগামীকাল শনিবার অপারেশন করে ডান পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেলিম বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালের আইসিইউতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আওতায় চিকিৎসাধীন।
সেলিম গত ২২ জুন গোপালপুর থেকে সিএনজি চালিত অটোতে ধনবাড়ী যাবার পথে নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। প্রথমে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, তারপর ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, অতঃপর ঢাকার পঙ্গু হাসপাতাল এবং সর্বশেষ, গত বুধবার ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ইতিমধ্যে সেলিমের চিকিৎসায় বেশ ব্যয় হয়েছে। সামনের দীর্ঘ চিকিৎসায় আরো অর্থের প্রয়োজন। তার দরিদ্র পরিবার সেই ব্যয়ভার বহনে অক্ষম। ইতিমধ্যে স্থানীয় সাংসদ ছোট মনিরসহ উপজেলা প্রশাসনের কেউ কেউ কিছুটা কর্থিক সহায়তা করেছেন। সেলিমের দুর্দিনে মানবিকতার টানে, আর্থিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসায়, মাননীয় সাংসদ ছোট মনিরসহ সংশ্লিষ্টদের গোপালপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
সেলিমের দুঃসময়ে যারা তাকে দেখতে গিয়েছেন, মৌখিকভাবে সাত্বনা দিয়েছেন, অথবা ফেসবুকে সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন তাদের প্রতি ও বিনম্র শ্রদ্ধা। “মানুষ মানুষের জন্য” এটি হোক সত্যিকারের শ্লোগাণ। সেলিমের জন্য সকলের দোয়া প্রত্যাশী।