নন্দীগ্রামে হাটকড়ই কালি মন্দিরে শুরু শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব

দেবী দূ্র্গা বছরে একবার আসে পৃথিবীতে সকল গ্লানি মুছে দিয়ে সকল ভক্তকুলের মঙ্গল কামনায়। হিন্দু পুরাণ মতে, দুর্গাপূজার সঠিক সময় বসন্তকাল, কিন্তু বিপাকে পড়ে রামচন্দ্র, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি সে পর্যন্ত অপেক্ষা না করে শরতেই দেবীকে অসময়ে জাগিয়ে পূজা করেন। সেই থেকে অকালবোধন হওয়া সত্ত্বেও শরৎকালেই দুর্গাপূজা প্রচলন হয়ে যায়।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সব থেকে বড় দূর্গাপূজা ৫ নং ভাটগ্রাম ইউনিয়নের হাটকড়ই কালি মন্দিরে যতাযতভাবে শুরু হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎসব হলো দূর্গাপূজা। মা এসেছে সকল দুঃখ ও অন্যায়কে বিনাশ করতে।

আর এর সঙ্গেই শুরু হবে বাঙালি সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

কালি মন্দির সভাপতি গৌতম বলেন, আমরা পূজার জন্য সবাই মিলে অর্থ তুলে প্রায় ২ লক্ষ টাকা দিয়ে দেবীও দেবতাদের সাজিয়েছি। সরকারি অনুদানও ছিল যা যথেষ্ট নয় আমাদের বড় মন্দিরের জন্য। সব মিলে সব দুঃখ কষ্ট ভুলে মা এসেছে আমাদের মাঝে সবাইকে নিয়ে উৎসবটি উদযাপন করতে চাই। সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা রইল।

সাবেক ইনডিপেনডেন্ট টিভির বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ও অধ্যক্ষ বৈদিক সংঘ ও মঠ হাটকড়ির অরুণ জ্যোতি বলেন, মা দুর্গা হলো আত্মশক্তির অর্থাৎ এই মহাবিশ্বের চেতনা ও শক্তির সৃজনশক্তি হলো মা দুর্গা। কারণ শক্তির থেকেই সব সৃষ্টি হয়েছে।সৃষ্টির শক্তি সর্বদাই অশুভকে বিনাশ করেন এবং শুভ বা পবিত্র শক্তিকে রক্ষা করেন প্রভৃতির মাধ্যমে। তাই এই অশুভ বিনাশ এবং শুভ শক্তির উত্থানের কামনায় এই দুর্গাপুজো।

নাজমুল হাসান/বার্তা বাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর