মাত্র একটি ব্রিজের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের ১২ গ্রামের অর্ধলক্ষ মানুষ। কোনো মতে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন তারা। প্রতি বছর বর্ষার স্রোতে ভেঙ্গে যায় সাঁকোটি।
দীর্ঘদিন ধরে একটি ব্রিজের দাবি জানিয়ে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দফতরের অফিসে ধর্না দিয়েও কোনো সুফল পাননি ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাঁকো থেকে পূর্ব দিকে রাস্তাটি মজুমদার পাড়া হয়ে চট্টগ্রাম-ক্সবাজার মহাসড়কের আবদুল খালেকের দোকান নামকস্থানে মিলিত হয়েছে। ওই কারণে মানুষকে নিত্যদিন কৃষিপণ্য বিপণন, চিকিৎসার কাজে উপজেলার সদরে যেতে হয়। খালের পশ্চিম দিকে সাঁকোটি পার হয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতে হয়। একারণে যাওয়া-আসার সময় অবিভাবকরা থাকেন উদ্বিগ্ন।
প্রয়োজনে তাগিদে স্থানীয়রাই বাঁশ ও খুঁটি দিয়ে ব্রিজ তৈরি করে কোনো রকমের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও আজও সুনজরে পড়েনি এলজিইডি কর্তৃপক্ষের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইফরাদ বিন মুনির জানান, ওই এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধা ও প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে সেখানে ৬০ মিটার একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণ হলে ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে।
আবদুল করিম/বার্তা বাজার/অমি