শেখ আমিনুর হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বারাত গ্রামের বহুল আলোচিত বিধবা পুষ্প রানী দাসকে নৃশংসভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বেসরকারি সংস্থা শারী এ আয়োজন করে।
সুনাম কমিটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড সোমনাথ মুখার্জীর সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্যে দেন জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রঘুজিৎ গুহ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, স্বদেশ এর নির্বাহ পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, শারীর প্রতিনিধি অ্যাড. শানু দাস, দলিত নেতা গৌর দাস প্রমুখ। বক্তারা বলেন, তালার বারাত গ্রামের বিধবা পুষ্প রানীকে যেভাবে নির্যাতন চালিয় হত্যা করা হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় র্যাব সদস্যরা নিহতের বেহাইকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠালেও তার সঙ্গে আরো অনেক জড়িতদের তিনি বাঁচাতে চেষ্টা করছেন। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। মুসিলমদের বহু বিবাহ সম্পর্কিত অশালীন মধ্যে ফেইসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে পরে নামিয়ে নেওয়ার ঘটনায় যুবলীগ নেতার দায়েরকৃত মামলার যথাযথ তদন্ত করতে হবে।
দেবহাটার বহেরা দাস পাড়ায় কিরণ দাসের পরিবর্তে হীরন দাসকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলে পাঠানোর কঠোর সমালোচনা করেন তারা। শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন ও হত্যা, সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মন্দির ভাঙচুর প্রতিদিনের ঘটনা। সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতের ধুয়া তুলে সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট শেষ আগুন, গ্রেপ্তার করে জেল পাঠানো, কৌশলে ধর্মারকরণের ঘটনা আজকের নতুন কিছু নয়। এ সব ঘটনায় প্রতিকার না পাওয়ায় সংখ্যালঘুদের মনোবল ভেঙ্গে পড়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অনেকে দেশ ত্যাগ করছে। গণতান্ত্রিক দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশ একদিন সংখ্যালঘু শূন্য দেশে পরিণত হবে।