পলাতক ই-কর্মাস ‘আনন্দ বাজারে’ মালিক, ফেসবুক লাইভে গালাগালি
ই-কর্মাস প্রতারণার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কর্মকর্তা ও মালিককে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মীরা। ইতো মধ্যে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা, রিং আইডি, নিরাপদ, কিউকমের মতো প্রতিষ্ঠান গুলোতে বিভিন্ন লোভনীয় অফার দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এবার সামনে এসেছে আরেকটি ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান ‘আনন্দের বাজার’এর বিভিন্ন প্রতারণার বিষয়। ‘আনন্দের বাজার’এর মালিক ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। তিনি এখন পলাতক অবস্থায় ফেসবুক লাইভে এস পুলিশ, সাংবাদিক ও গ্রাহকদের গালাগালি করছেন।
‘আনন্দের বাজার’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) আহমুদুল হক খন্দকারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন একজন গ্রাহক। গত ৫ অক্টোবর রাতে গুলশান থানায় প্রতারণার অভিযোগ এনে মো. সুজন নামের একজন গ্রাহক এই মামলাটি করেন।
শনিবার গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, আনন্দের বাজারের মালিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তার অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
‘আনন্দের বাজার’-এর মালিক আহমুদুল হক বিভিন্ন সময় ফেসবুক লাইভে এসে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পুলিশ, সাংবাদিক ও গ্রাহকদের দায়ী করে নানা বিরূপ মন্তব্য করেছেন। লাইভে তিনি পুলিশকে ঘুস দেওয়ারও অভিযোগ তুলেছেন।
সর্বশেষ গতকাল (৮ অক্টোবর) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে আহমুদুল হক বলেন, ‘ওই দিন আমার পুলিশ ভাই এসেছিল, আমি ১২ লাখ টাকা ক্যাশ দিয়েছি। কই, কেউ আমার পক্ষে কথা বলল না!’
আহমুদুল হকের এই অভিযোগের বিষয়ে শনিবার পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার নিউটন দাশ একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তাকে (আহমুদুল হক) গ্রেফতার করতে পারলে কারা ঘুস নিয়েছে, কী কারণে টাকা দিয়েছে- সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
বার্তা বাজার/টি