চলতি বিশ্বকাপে শুরুটা ভালই করেছিলেন বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছিল তারা। তার পরেই ধাক্কা। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে পয়েন্ট তালিকায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন ‘টাইগার’রা। সেমিফাইনালে টিকে থাকতে হলে ভারতের বিরুদ্ধে জিততেই হতো তাদের কিন্তু কোহালি-ব্রিগেডের কাছে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের।
দুর্দান্ত লড়েও সেমিফাইনালের পাসপোর্ট জোগাড় করতে না পারায় হতাশ বাংলাদেশের এক নম্বর অলরাউন্ডার। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই রান করেছেন সাকিব। ভারতের বিরুদ্ধেও লড়েছেন তিনি। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার একরাশ আক্ষেপ গলায় নিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন আমরাই পূরণ করতে পারিনি। এটা খুবই হতাশাজনক।
সাকিব আরও বলেন, “আমরা সবাই চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কোথাও যেন একটা কমতি রয়ে গিয়েছিল। আমাদের আরও মরিয়া হয়ে চেষ্টা করা উচিত ছিল।” টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও শুক্রবার নিয়মরক্ষার ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামবে বাংলাদেশ।
সেই ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের সাকিব বলেন, ‘আমি প্রতিটি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি।’ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের সেরাটা দিতে চান সাকিবরা। ভারতের মতোই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামলে অন্য তাগিদ অনুভব করেন মাশরাফিরা। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপে আবির্ভাব ঘটে বাংলাদেশের। প্রথম বার খেলতে নেমেই পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিলেন বাংলার বাঘরা। সে বারের বিশ্বকাপও অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিলেতে। এ বারও তাই। ইতিহাসের কি পুনরাবৃত্তি ঘটবে? শাকিবদের গলায় আত্মবিশ্বাস। সাকিব বলছেন, ‘শেষ ম্যাচটা আমরা জেতার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।’