সিরাজদিখানে প্রশ্নপত্র ফাঁস, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

মো: মিজানুর রহমান, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে লিখে আনা লুজ সিটসহ ধরা পরায় ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের তীর বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোঃ বিল্লাল হোসেনের দিকে।

জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষক সাইদ আহমেদ, আবু জর গিফারী ঝিনুক ও ফারজানা আক্তার এই ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার জন্য দায়িত্ব দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি।

অভিভাবক অনেকে জানান, বিল্লাল হোসেন স্কুলে অনেক অনিয়ম ও কোচিং বাণিজ্যে জড়িত। এখন আবার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে। ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী বাড়িতে বসে সিটে লিখে এনে পরীক্ষার খাতায় সংযোগের সময় ধরা পরে। প্রথমে দুইজন পরে জানাজানি হয় ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী।

বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান, আমার মোবাইল ফোনে আগের প্রশ্ন ছিল। সেখান থেকে কোন ছাত্র কপি নিয়েছে। পরীক্ষায় কিছু অংশ মিলেছে। আমি কাউকে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেই নাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী আব্দুল ওয়াহিদ মোঃ সালেহ জানান, ঘটনাটি জানার পর তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছি। তারা তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করলে এবং অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নিব।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রিনাত ফৌজিয়া জানান, আমি দ্বিতীয় পক্ষের কাছ থেকে ঘটনাটা শুনে ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে ডেকে এনে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। ৭ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন তাদের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদনে যদি ওই শিক্ষক দোষী হয় তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর