কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে অত্যাধিক হারে বেড়ে চলেছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। বাজার মনিটরিং কমে যাওয়া ও পণ্য সংকটের কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে বলে জানা গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা।
এক সসপ্তাহ আগেও যেখানে এসব নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের ভেতর ছিল তা এখন বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ।
পাকুন্দিয়া পৌরসদর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তিনদিন আগেও প্রতি কেজি প্রতি পিয়াজ ছিল ৫০টাকা তা এখন ৭০টাকা। কয়েক দিন আগে মুশুরি ডাল ছিল ৯০ টাকা যা বর্তমানে ১২০ টাকা প্রতি কেজি। চিনি ছিল ৭০ টাকা তা এখন ৯০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ছিল ১০০ টাকা তা এখন ১৬০ টাকা। কয়েক দিন আগে টমেটো ছিল ৮০ টাকা কেজি তা এখন ১৪০ টাকা কেজি। অল্প দিনের ব্যাবধানে ১২০ টাকা দরের গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি প্রতি বয়লার মুরগী ছিল ১০০টাকা তা এখন ১৬০টাকা। কয়েক দিন আগেও একশো লাল মুরগির ডিম ছিল ৭৬০ টাকা তা এখন ৮০০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে মুরগী ও গোখাদ্যের দাম। কমেছে দুধের দাম।
এছাড়াও বেড়েছে বিভিন্ন জাতের মসল্লার দাম।
ক্রেতারা জানান, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রশাসনের লোকজন বাজার মনিটরিং করায় নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিল। বর্তমানে বাজার মনিটরিং না থাকায় আবার বাড়ছে। এখনই যদি বাজার মনিটরিং করে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায় তবে সামনের দিনে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্য নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয় সীমার বাইরে চলে যাবে। তারা বাজার মনিটরিং করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে পাকুন্দিয়া পৌরসদর বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, যেখান থেকে এসব পণ্য কিনে আনা হয়, সেখান থেকেই অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের সংকট রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
হুমায়ুন কবির/বার্তা বাজার/অমি