ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পরেছে এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন

সংস্করণ ও মেরামতের অভাবে ব্যবহারের অযোগ্য প্রায় রাঙ্গাবালীর এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন। দেয়াল ও ছাদ থেকে খসে পরছে পলেস্তারা। ফেটে গেছে ফ্লোর। যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। মেরামতের দাবি শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৫৫ সনে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৭ সনে দ্বিতল ভবনে রুপান্তরিত হয়। ঘুর্নিঝর আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার হয় ভবনটি। ১৯৭০ সনের মহা প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝর ও সামুদ্রিক জলোচ্ছাসে এই ভবনে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পেয়েছিল এলাকার শতশত মানুষ।

এলাকাবাসীরা জানান, সর্বশেষ ২০০৮ সনে নামমাত্র মেরামত করেন আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন। সেই থেকে অদ্যবধি মেরামত করা হয়নি ভবনটি। ছাদ ও দেয়াল থেকে খসে পরছে পলেস্তারা। বের হয়ে আছে জং ধরা রড। ফেটে গেছে ফ্লোর। এর মধ্যেই চলছে পাঠদান। চিন্তিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা।

যে কোন সময় পলেস্তারা মাথায় পরে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা মোটেই এরিয়ে যাওয়া যায়না, যেমনটা ঘটেছিলো এর আগে। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. মিরন মিয়ার টেবিলে পলেস্তারা খসে পরলে অল্পের জন্য তিনি গুরুতর আহত হওয়া থেকে রেহাই পান। এমন ঘটনা যে কোন সময় ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সবাই। অবিলম্বে মেরামতের দাবী তাদের।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সব সময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকি, কখন জানি প্লাষ্টার খসে পরে দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি চাই!

প্রধান শিক্ষক মো. মাহতাব হোসাইন বলেন, নতুন ভবনের জন্য এমপি মহোদয় ডিউ লেটার দিয়েছেন। আমি তা শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলীর নিকট জমা দিয়েছি। আশা করি, তাদের সুদৃষ্টিতে খুব শিগগিরই আমাদের এই সমস্যা নিরসন ঘটবে।

সাইফুল ইসলাম সায়েম/বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর