এবছর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ষোলটি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। সেই অনুযায়ী চলছে প্রস্তুতি। তবে, তৈরি প্রতিমা কিনে আনা হবে অধিকাংশ মণ্ডপে এরকারনেই এবছর প্রতিমা তৈরির কার্যক্রম নেই অধিকাংশ মণ্ডপে।
আশ্বিনের শুক্লপক্ষে পূজা অনুষ্ঠিত হবে মণ্ডপে মণ্ডপে। করোনা সংক্রমণে ব্যপকভাবে আয়োজন হচ্ছে না। দৌলতপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত ৪ হাজার মানুষের বসবাস, যার অধিকাংশই নিম্ন আয়ের মানুষ। করোনা প্রেক্ষাপটে আর্থিক দৈন্যতা আর জেলার বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় অনেকটাই মন খারাপ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। তবুও যথারীতি বরণ করা হবে দেবী দুর্গাকে। চলবে হিন্দু সম্প্রদায়ের শরৎ কালের দুর্গাপূজা।
উপজেলা পুজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী দুলাল দেব জানান, পুজা চলাকালীন প্রতিটা মণ্ডপে পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। প্রতিবছরের মতো মণ্ডপ প্রতি সরকারি অনুদানের ৫শ’ কেজি চাল এবারও দেয়া হবে বলে আশা করছি।
কমিটির সহ-সভাপতি শ্রী বাবু দাস বলেন, সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে আমরা পুজা পরিচালনা করবো।
কৈপাল দাস পাড়া মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রদীপ দাস বলেন, দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই ঘরে ঘরে কেনাকাটা আনন্দ আয়োজন চলছে।
এ প্রসঙ্গে নবাগত এসিল্যান্ড আফরোজ শাহীন খসরু (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) বলেন, দু-এক দিনের মধ্যেই মণ্ডপে মণ্ডপে নির্দিষ্ট বরাদ্দ পৌঁছে দেয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আজ মহালয়া। ১১ অক্টোবর মণ্ডপে উঠবে দেবী। ১৫ অক্টোবর বিসর্জন।
এস. এম. সরোয়ার পারভেজ/বার্তা বাজার/অমি