মোঃলোকমান হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:- যশোর অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান মিলনের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।(বৃহস্পতিবার ০৪ই জুলাই)মিলনের পিতা ঈমান আলী বিশ্বাস বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।মামলা নং-৪,তারিখ:-০৪- ০৭-২০১৯।
মামলার নথী সূত্রে জানা গেছে,উক্ত আসামীরা মটর সাইকেলের গতিরোধ করে মিলনকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়।
আসামীরা মৃত ভেবে তাকে ফেলে রেখে যায় এবং তার কাছে থাকা নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার ৭শ ৯০টাকা,একটি মটরসাইকেল (পালসার),দুইটি মোবাইল সেট এবং একটি সোনার আংটি ছিনিয়ে নেয়।
আসামীরা হলেন- নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের শাহাবুল ইসলাম সাবুর ছেলে মুরাদ হোসেন(২৬), পীরমোহাম্মদ পীরোর ছেলে রিপন(২০),জুলু মিয়ার ছেলে শাহ আলম(২৬),শেখ গোলাম হোসেনের ছেলে শেখ বিল্লাল হোসেন(২৫), সিরাজ হোসেনের ছেলে হৃদয় হোসেন(২১), খালেক খন্দকারের ছেলে আজিজুল(২৭), জামাল হোসেন(২৮)পিতা-অজ্ঞত এবং ধোপাদী ওয়ার্ডের মাহাবুর সরদারের ছেলে মোঃমুরাদ হোসেন (২৭)।এছাড়া অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনকে আসামী করা হয়েছে।দলীয় কোন্দলে প্রতিক্ষের হামলার গত মঙ্গলবার কামরুজ্জামান মিলন মারাত্মক আহত হন।এ ঘটনার প্রতিবাদে তার সমর্থক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা ঘটনার পর পর আগুন জ্বালিয়ে নওয়াপাড়া যশোর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে।পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।রাত সাড়ে আটটার দিকে নওয়াপাড়া রেল স্টেশন এলাকায় উভয় গ্রুপ মুখো মুখি হয়।এ সময়ে চার-পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে।বুধবার বিকালে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যলয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,যশোর জেলা ও থানা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাহ করছে।
অভয়নগর থানা অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ছাত্রলীগ নেতাকে কতিপয় দুষ্কৃতকারী মোটরসাইকেলের ডাম্পার দিয়ে পিটিয়ে হাত পা মুড়িয়ে দিয়েছে।এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।তবে পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।