রাজারবাগ পীর দিল্লুর রহমানের সব আস্তানা বন্ধে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
পীর ও তার প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে যেসব সম্পদ রয়েছে সেগুলোর উৎস সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানাতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এছাড়াও রাজারবাগ পীর ও তার পৃষ্ঠপোষকতায় ‘উলামা আঞ্জুমান বাইয়্যিনাত’ অথবা ভিন্ন কোনো নামে কোনো জঙ্গি সংগঠন আছে কি না সে বিষয়েও খোঁজ নিয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।
আগামী ৬০ দিনের মধ্যে দুদক ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাজারবাগ দরবার শরীফের সব সম্পদ বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের দেওয়া এ সংক্রান্ত আদেশের লিখিত অনুলিপি সোমবার (৪ অক্টোবর) প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তিনি বলেন, রাজারবাগ দরবারের পীর দিল্লুর রহমান ও তার দরবারের সব সম্পত্তির হিসাব চেয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর আদেশ দেন হাইকোর্ট। ওই দিন একই সঙ্গে এ দরবারের পীরের অনুসারীদের করা (রিটে উল্লেখ করা আটটি) মামলা তদন্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে মামলার বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে সিআইডিকে। সেইসঙ্গে আদালত রিট আবেদনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বলেছিলেন। ওই দিনের দেওয়া মৌখিক আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে সোমবার (৪ অক্টোবর)। আমরা সে আদেশের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেয়েছি।
তিনি আরও জানান, লিখিত আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষকে এই মর্মে কারণ দর্শাতে বলা হলো যে, কেন আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক ক্রমাগত ফৌজদারি মামলা দায়েরে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না।
বার্তা বাজার/নব