দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চলাভাঙ্গা খালের ওপর ২০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। সেতুটি দ্রুত সংস্কার অথবা পূঃন নির্মানের জন্য সোমবার (৪ অক্টোবর) উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ বাচ্চু মীর।
সোমবার (৪ অক্টোবর) দক্ষিণ রনগোপালদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্লেক্যার্ড গলায় ঝুলিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন সেতু নির্মানের আবেদন জানিয়েছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, ২০০০ সালে লোহার ভীম ও ইটের খোয়া বালু সিমেন্টের প্লেট দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। গুরুত্বপূর্ন ওই সেতুটি দীর্ঘদিন ভেঙে থাকায় মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ওই সেতুটি দিয়ে দক্ষিণ রনগোপালদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,রনগোপালদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,রনগোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উলানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শত শত শিক্ষার্থী এবং রনগোপালদী কমিউনিটি ক্লিনিক,রনগোপালদী ও আউলিয়াপুর বাজারে শত শত মানুষ যাতায়াত করেন।
সেতুটির লোহার ভীমগুলো মরিচা ধরেছে এবং সেতুর ওপরে থাকা মানুষ ও যানবাহন চলাচলের প্লেটগুলো ভেঙে মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। প্রতিদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ মহিলা ও বৃদ্ধরা জীবনের ঝুকি নিয়ে সেতুটি দিয়ে চলাচল করছেন। যেকোন সময় সেতুটি ভেঙে পরে ভয়াবহ দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা করেছেন এলাকাবাসী।
রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুল হক নাসির সিকদার বলেন, ওই সেতুটি ভয়াবহ ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে,বিষয়টি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করেছি।
দশমিনা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, ওখানে নতুন সেতু নির্মানের জন্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনেক সময় প্রয়োজন তাই চলতি উপজেলা পরিষদের মাসিক সম্বন্নয় সভায় বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে সেতুটি সংস্কারের উদ্দ্যেগ নেওয়া হবে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল আজীজ মিয়া বলেন, দ্রুত সেতুটি সংস্কারের উদ্দ্যেগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য এস,এম শাহজাদা বলেন, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনা স্থানে সরেজমিনে গিয়ে কোন ধরনের সেতু ওই খালের ওপর নির্মান করা প্রয়োজন সে ব্যাপারে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করতে বলেছি। তিনি আরো বলেন যত দ্রুত সম্ভব ওখানে নতুন সেতু নির্মানের উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হবে॥
বার্তা বাজার/টি