ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস থেকে আরো ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করেন সাপুরিয়া দল। সোমবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে কলেজের ছাত্রাবাস থেকে কুমিল্লা থেকে আগত একটি সাপুরিয়া দল এই ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করেন। সাপুরিয়া দলের সরদার কামালের ভাষ্যমতে সাফগুলো হলো, কালি ফানুস, ঢ্যাড়াস, ভিঙ্গরাজ ও কুবড়া।
কলেজ সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাতে কলেজ ছাত্রাবাসে একটি বিষধর গোখরা সাপের চলাচল করতে দেখে ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীরা। পরে কলেজ অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা মিলে সাপটি নিধন করেন।
সোমবার দুপুরে আবার কলেজ ছাত্রাবাসে কাজের ভূয়া ছাত্রবাসের খাবারের রুমে একটি সাপ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অবগতি করলে। কলেজ অধ্যক্ষ কুমিল্লা থেকে সাপুরিয়ার একটি দল এনে সাপ ধরার প্রক্রিয়ার শুরু করে।
এর কিছুক্ষন পরই ধাপে ধাপে ডিমসহ ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করেন সাপুরিয়ার দল। তবে সাফগুলো উদ্ধার করা হলেও কলেজের ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।থাকলেও কলেজের সীমানা বাইরে থাকতে পারে।
সাপুরিয়া দলের নেতা কামাল হোসেন জানান, সাপগুলো ছিল বিষধর। যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আমরা ডিমসহ ৪টি সাপ উদ্ধার করেছি। আপাতথ এই জায়গায় আর কোন সাপ নেই।
কলেজে ছাত্রাবাসের সুপার, আশরাফুল আজিজ জানান, কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ৪টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্রাবাসটি বর্তমানে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। ছাত্রদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকার জানান, সাপুরিয়া দলের সাহায্যে আমরা কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করি। বর্তমানে ছাত্রবাস থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সন্তোষ চন্দ্র সূত্রধর/বার্তা বাজার/টি