যশোরে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। উপসহকারী পরিদর্শকির নাম খান মোহাম্মদ ইনামুল হাসান। ঝিকরগাছার পুরন্দরপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে ফিউচার আউট সোর্সিং প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
রোববার (৩ অক্টোবর) আদালতে মামলা করা হয়। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মারুফ আহমেদ অভিযোগ তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। খান মোহাম্মদ ইনামুল হাসান যশোর সিআইডি অফিসে কর্মরত।
বাদির আইনজীবী রুহীন বালুজ জানান, ‘চাঁদাবাজির অভিযোগে সিআইডির এএসআই খান মোহাম্মদ ইনামুল হাসানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। বাদির কাছ থেকে বিকাশে চাঁদার টাকা গ্রহণের প্রমাণ আছে।’
বাদি শরিফুল ইসলামের অভিযোগ করে, যশোর শহরের খোলাডাঙ্গা সার গোডাউনের পাশে অবস্থিত ফিউচার আউট সোর্সিংয়ের প্রধান কার্যাল। এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শরিফুল ইসলাম। গত ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত এএসআই খান মোহাম্মদ ইনামুল তার অফিসে গিয়ে প্রতিষ্ঠানকে ভুয়া বলে কর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এরপর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দিলে অফিস সিলগালা ও পরিচালককে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
এরপরদিন ভয়ে নিজস্ব বিকাশ নম্বর থেকে সিআইডি কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে (০১৭১….৪৬৬) দুই হাজার ৫শ টাকা ও ২৯ সেপ্টেম্বর আবারও ২ হাজার ৫শ টাকা বিকাশ করেন। এরপর অভিযুক্ত সিআইডির এএসআই খান মোহাম্মদ ইনামুল হাসান বাকি ৪৫ হাজার টাকার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দেন। চাঁদার বাকি টাকা না দেওয়ায় ফোনে হুমকি দেওয়ায় ভুক্তভোগী আদালতে মামলা করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে এএসআই মোহাম্মদ ইনামুল হাসানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাদিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘তিনি মামলার বাদি শরিফুলকে চেনেন না। বিকাশে কোনো টাকাও পানননি, তাকে কেন আসামি করা হয়েছে সেটাও জানেন না।’
বার্তা বাজার/এসবি