আজ রোববার (৩ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ। আশ্বিনের পূর্ণিমার শেষ সময়ে সাগর থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের নদীর মোহনায় এসে ডিম ছাড়ে মা ইলিশ।
মা ইলিশের এ প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবে এ নিষেধাজ্ঞা।
এই পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যে যশোর-খুলনা-বাগেরহাটসহ পার্শবর্তী বেশ কয়েকটি জেলার মৎস আড়ৎ ও বাজার গুলো ইলিশ শূন্য হয়ে পড়েছে। আগামীকাল থেকে ইলিশ আহোরনের পাশাপাশি বিক্রিও নিষিদ্ধ বলে গত ৩দিন ধরে জেলেদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত মাছ কেনেননি খুচরা বিক্রেতারা। দু-একজন বাজারে আজ একদিনের জন্য ইলিশ উঠালেও সল্প মূল্যে বিক্রি করছেন। এমন অবস্থায় কিছুটা হতাশার ছায়া দেখা যায় বিক্রেতাদের মুখে। তবুও তারা প্রশাসনের নিকট মাছ ধরার নিষেধাঙ্গা কঠোর করতে দাবী জানান।
এদিকে বাজারে ইলিশ না থাকায় দীগুন দাম হাকিয়েছে ব্রয়লার মুরগী ও কাঁচামালে। এরমধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে কাঁচা মরিচ। যেখানে তিন দিন আগে কাঁচা মরিচের পোয়া ছিলো ১৫-২০ টাকা সেখানে আজ থেকে কাঁচা মরিচের পোয়া বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, কেজি ২০০-২২০ টাকা। দেশী কাচা মরিচ পোয়া ৬০-৬৫ টাকা, কেজি ২২০-২৩০ টাকা। এদিকে ব্রয়লার মুরগীর গত সপ্তাহে দাম ছিলো প্রতি কেজি ১১৫ টাকা। আজ থেকে ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা কেজি দরে। পাশাপাশি দাম বেড়েছে গরুর মাংস ও খাশির মাংসে। তালে তালে দুই, চার, পাঁচ টাকা করে দাম বাড়ছে কাঁচা বাজারের অনান্য কাচামালে।
বিক্রেতারা বলেন, আগামীকাল থেকে ইলিশ মাছ ধরা এবং বিক্রি নিষিদ্ধ তাই মাংসের দোকানে ক্রেতাদের ঝোঁক বেশি। সেই সাথে কাচামালের দিকেও ঝোক পড়েছে ক্রেতাদের। তাই দাম উর্ধগতী দেখা দিয়েছে। আড়তদারাই মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করছে বলে জানান বাজারের খুচরা বিক্রেতারা।
ক্রেতারা বলেন, এই ২৫ দিন ইলিশ আহোরনে নিষেধাজ্ঞা কড়াকড়ির পাশাপাশি বাজার মনিটরিং কারাটাও জরুরী। তা না হলে দাম উর্ধগতী হতে থাকলে সাধারণ মধ্যেবিত্ত পরিবার না খেয়ে মরে যাবে।
এদিকে মাছ ধরার নিষেধাঙ্গা কড়াকড়ি ভাবে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন উপকূলীয় জেলা গুলোর জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি বাজার মনিটরিংও করবে ভোক্তা অধিদপ্তর।
এ্যান্টনি দাস অপু/বার্তা বাজার/অমি