ইকুয়েডরের কারাগারের মধ্যে সংর্ঘষে কমপক্ষে ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৫২ জনের মতো। কারাগারের ইতিহাসে এট সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। কারাগারে সংঘর্ষ বাধে সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, রাজধানী থেকে ৪০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে অবস্থিত দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় শহর গুয়াইকিলের কারাগারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মূলত: লস লোবোস এবং লস চোনেরোস কারাগারের গ্যাংয়ের মধ্যে বিরোধের কারণে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।
ইতিমধ্যে করাগারের নিয়ন্ত্রণ নিতে গুয়াইকিলের ওই কারাগার ৪০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কারাবন্দীদের অধিকাংশই বৈশ্বিক মাদক ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত।দেশটির আঞ্চলিক পুলিশ কমান্ডার জেনারেল ফাউসতো বুউনানো বলেছেন, কারাবন্দীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। হতাহতের গ্রেনেডও ছুড়ে মারা হয়েছিল। এদিকে দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো এক টুইট বার্তায় এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরার্বৃত্তি না ঘটে সে জন্য তাগিদ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, দেশটির কারাগারে ৩৯ হাজার কারাবন্দী রয়েছেন। চলতি বছর জুলাইয়ে দু’টি কারাগারে দাঙ্গায় ২৭ জনকে হত্যা করা হয়েছিল।
বার্তা বাজার/টি