মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরার এমডিকে আগাম জামিন দেয়নি হাইকোর্ট
রাজধানীর শুলশানের একটি ফ্ল্যাটে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আগাম জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর। আদালত তার আগাম জামিন আবেদনে সাড়া দেয়নি।
বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মোস্তাফা জামান ইসলামের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ আনভীরের আবেদনটি আদালতের কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। তবে আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সায়েমের আবেদন মঞ্জুর করে তাকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন।
আদালত জানায়, মুনিয়ার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ‘আঘাতের চিহ্ন’ থাকায় থাকায় প্রথম আবেদনকারীর (আনভীর) বিষয়ে হাই কোর্ট বেঞ্চ আপাতত হস্তক্ষেপ করবে না।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নাম্বার সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবাহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন মুনিয়ার বোন। মুনিয়া কিভাবে মারা গেল তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হয়। গত ১৬ আগস্ট আদালতে দাখিল করা মেডিকেল রিপোর্টে জানা যায়, মুনিয়া ২ থেকে ৩ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
ডিএনএসহ আনুষাঙ্গিক পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না বলেও মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এসব রিপোর্ট আসার আগেই গত ১৮ আগস্ট আনভীরকে খালাস দেন আদালত।
এবার মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর আনভীরসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা ও ধর্ষণ মামলা করেছেন মুনিয়ার বড় বোন। মুনিয়া যে বাসায় থাকতো সে বাসার মালিককেও মামলার আসামি করা হয়েছ।
বার্তা বাজার/এসজে