বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে সাভারের রানী স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে তার মৃত্যুর ৪০ দিন পর এই স্বীকৃতি গিনেজ বুক থেকে জানানো হয়। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ একটি ইমেইল করে স্বীকৃতির বিষয়টি জানান।
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন সাভারে চারিগ্রাম এলাকার শেকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আবু সুফিয়ান।
তিনি বলেন, গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা রানীর পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট পাঠিয়েছিলাম। ওরা মূলত দেখেছে, আমরা হরমন জাতীয় ইনজেকশন পুশ করে রানীকে বামন করেছিলাম কি না? কিন্তু এ ধরনের কোনো কিছু তারা রিপোর্টে পায়নি। তিনদিন আগে ওরা রানীকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ওদের প্রসেসের কারণে বিলম্বে কাল আমাদের ই-মেইল করেছে।
তিনি আরও জানান, রানী আমাদের সবার অনেক আদরের ছিল। প্রাণী হলেও রানীকে আমরা পরিবারের একজন করে নিয়েছিলাম। কিন্তু গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে যখন রানীর নাম উঠতে আর কিছু দিন বাকি, তখন আমরা রানীকে হারিয়েছি। রানীর মৃত্যু কোনোভাবেই ওই সময় মেনে নিতে পারিনি আমরা। তবে অবশেষে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রসিডিউর অনুযায়ীই রানীকে বিশ্বের সবচাইতে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা সত্যিই অনেক বেশি আনন্দিত। তবে রানী বেঁচে থাকলে এ আনেন্দর মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যেত।
উল্লেখ্য, ভুট্টি জাতের এই গরুটির উচ্চতা ২৪ দশমিক ৭ ইঞ্চি। দৈর্ঘ্য ২৬ ইঞ্চি ও ওজন ছিল ২৬ কেজি। ১১ মাস আগে নওগাঁর একটি গ্রাম থেকে রাণী নামের ওই গরুটিকে কিনে আনা হয়েছিল সাভারের খামারটিতে।
বার্তা বাজার/এসজে