আলফাডাঙ্গায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রভাবশালী কর্তৃক অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আশপাশের নাল জমি, পুকুর ও পুকুরের পাড় ওই পুকুরের মধ্যে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েছে স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা উপজেলার কুসুমদি এলাকার বাসিন্দা তাঁরা মিয়া পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ৬৬নং শুকুরহাটা মৌজার চন্ডিয়ারবিল নামাক স্থানে তাদের নিজেদের একটি পুকুরে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন।

ইতোমধ্যে পুকুরটি ৬০-৭০ ফুট গভীর করে ফেলা হয়েছে। পরে এখান থেকে উঠানো বালু বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন।

এতে পার্শ্ববর্তী জমির মালিকরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। হুমকির মুখে রয়েছে তাদের নাল জমি, পুকুর ও পুকুরের পাড়। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা বালু উত্তোলনে বাঁধা দিলেও তা মানছেন না তাঁরা মিয়া। ফলে দিন দিন বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন এলাকাবাসী। যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পার্শ্ববর্তী জমির মালিক হাবিবুর রহমান, শেখ আব্দুল আলীম সুজা, জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, ‘তাদের জমি ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় তাদের নাল জমি, পুকুর ও পুকুরের পাড় ভেঙে যাওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। বার বার নিষেধ করলেও প্রভাব খাটিয়ে তাদের নিষেধ উপেক্ষা করে নিয়মবহির্ভুতভাবে ভূ-গর্ভস্থ থেকে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন।’

অভিযুক্ত পুকুরের মালিক তাঁরা মিয়া জানান, ‘ আমার পুকুরটি প্রায় ভরাট হয়ে গিয়েছিল। সেকারণে পুকুরের গভীরতা বাড়াতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।’

এবিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহী বার্ত বাজারকে বলেন’ লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তহসিলদারকে সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

মিয়া রাকিবুল/বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর