বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বরদাশত করা হয় না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর ঘাতক হিসেবে দণ্ডিত রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে চলমান আইনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তার দণ্ড কার্যকর করতে সক্ষম হবো বলে আমি সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করি। আপনারা সবাই জানেন যুক্তরাষ্ট্রের লিগ্যাল প্রসেস সময়সাপেক্ষ। তবে এর আগেও দণ্ডিত আরেকজন ঘাতককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাকে এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক আমেরিকায় বসবাসের আলোকে বলেন, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা খুব কড়া এবং শাস্তিও কড়া। যুক্তরাষ্ট্রের মত বছরখানেক জেল খাটার পরই গুরুতর অপরাধীকেও প্যারলে মুক্তি দেয়া হয় না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাশেদ চৌধুরীকেও একই পথে যেতেই হবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাথে এ নিয়ে প্রয়োজনীয় দেন-দরবার অব্যাহত রেখেছি।

ড. মোমেন উল্লেখ করেন, গত বছর এই দেশেও পুলিশের গুলিতে ১০০৪ জন নিহত হয়েছে। বাংলাদেশে তেমন কোন ঘটনা নেই। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছিল অধিকার ২০১৮ সালে। সে বছর ১৮ জনের মৃত্যু হয় বলে তারা অভিযোগ করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যার কোনো তথ্য বাস্তবে নেই। কর্তব্য পালনের সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুড়লেও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েক বছর আগে নারায়নগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা যথাযথ শাস্তি পেয়েছেন। শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে কর্ণেল মর্যাদার অফিসারও রয়েছেন। অর্থাৎ বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বরদাশত করা হয় না বাংলাদেশে।

বার্তা বাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর