ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিজের স্ত্রীর সহযোগীতায় টানা ৮ মাস ধরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছসেবক পার্টির সভাপতি হোসেন আলী (৫০)। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে হোসেন আলীকে গ্রেফতার করে র্যাব।
র্যাবের কাছে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ জানানোর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর গভীর রাতে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে হোসেন আলী ও তার তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগমকে (১৯) আসামী করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালী থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ মঙ্গলবার জানান, সোমবার দুপুরেই হোসেন আলীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগের বরাত দিয়ে ওসি জানান, কৃষ্টপুর এলাকায় বসবাস করার সুবাদে আগে থেকেই প্রতিবেশি হোসেন আলীর বাসার যাতায়াত ছিল ওই কিশোরীর পরিবারের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ হোসেন আলীর স্ত্রী তামান্না কোমল পানীয়ের সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে কিশোরীকে পান করায়। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে হোসেন আলী।
এ ঘটনা কাউকে জানালে ধারণকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে পরদিন সকালে আবারও ধর্ষণ করে হোসেন আলী। তখন ঘরের দরজা বন্ধ করে বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দেয় তামান্না বেগম।
কোতোয়ালী থানার ওসি আরও জানান, কিছুদিন আগে কিশোরীকে ধর্ষণ করার সময় হোসেন আলীকে হাতেনাতে স্থানীয়রা আটক করেন। কিন্তু তখন সালিশ বৈঠকে বিষয়টি সমাধান হয়ে যায়। এরপরও কিশোরীর পিছু ছাড়েননি হোসেন আলী।
বার্তা বাজার/এসজে