রাজশাহী নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অজ্ঞাতনামা এক বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর চিকিৎসা ও মৃত্যু পরবর্তীতে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করলো-রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৭ টায় বোয়ালিয়া মডেল থানার কাদিরগঞ্জ নগর ভবন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা এই ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও সংবাদপত্রে প্রচার করেও তার পরিচয় শনাক্ত হচ্ছিলো না। চিকিৎসা চালাকালীনগত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ টায় তিনি মারা যান।
পুলিশ আরও জানায়, এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। এরপর তদন্তকারী অফিসার এসআই আলী আকবর অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতসহ ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করে অজ্ঞাতনামা সেই মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডি রাজশাহী টিমের সহযোগিতা নিয়ে মৃত ব্যক্তির ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে এনআইডি সংগ্রহ করা হয়।
এনআইডি থেকে সেই মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়। তার নাম মনতাজ আলী। সে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ থানার চরতিস্তাপাড়ার নালকু মুন্সির ছেলে। পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করে মৃত মনতাজ আলীর আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান পাওয়া যায়।
মনতাজ আলীর আত্মীয়-স্বজন মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড় থেকে রাজশাহীতে এসে হাসপাতালে তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যা জানিয়েছে, মনতাজ আলী বাকপ্রতিবন্ধী ও তার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তার ১১ বছরের একটি কন্যা সন্তানও আছে। সে প্রায় ৬ মাস আগে বাসা থেকে বের হয়ে গেলেও আর ফিরে আসেনি।#
মাহাবুল ইসলাম/বার্তা বাজার/এসবি