জমিতে ঘর নেই, তবুও ঘর ভাঙার মামলা!
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার মো. নবী হোসেন দক্ষিণ বড়মাছুয়া গ্রামের মৃত. আফেজ উদ্দিনের পুত্র।
মামলার বাদী মোসা. সুরমা বেগম মামলার ১ নং আসামী মোঃ নবী হোসেনের ছোট ভাই মো. শহীদের স্ত্রী। ১৫ সেপ্টেম্বর নবী হোসেন সহ ৮ জন নামীয় ও ১০/১৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করে মঠবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, জেএল নং ৩৯, খতিয়ান নং ১১০/১০৭/৪২৯/৭০৮/৫১৭ এসএ দাগ নং ৫২৩/৫২৮/৯৪০/৯৪১ বিরোধীয় জমি। উক্ত জমিতে আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে বাদীর বসত ঘর ভেঙে ফেলে ৭০ হাজার টাকার দুটি খাট সহ ঘরের মালামাল ও আসবাবপত্র নিয়ে যায়। এতে বাদীর ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়।
সরেজমিনে জানা যায়, মামলায় উল্লেখিত তফসীলভুক্ত সম্পত্তিতে ঘটনার দিন ও সময় বাদীর কোন ঘর দরজা ছিল না। বসত ঘর থাকলে হয়তো ভাংচুর করা হতো এমন ধারনা থেকেই প্রতিকী বা কাল্পনিক ঘর ভাঙা মামলা করেন বাদী।
বাদী সুরমা বেগমের স্বামী শহীদ হাওলাদার জানান, ৩/৪ মাস আগে আসামীরা গায়ের জোরে আমাদের ঘর ভেঙে নিয়ে যায়। আমার বসত ঘরের ওই পোতায় প্রতিপক্ষরা আষাঢ় মাসের দিকে আলু গাছ লাগায়। কোন কথা বললেই আমাকে মামলায় ফাঁসায়। আপন ভাই হয়েও আমাকে ডাকাতি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। আমার একমাত্র ছেলে মামলার ভয়ে বাড়ি আসতে পারে না।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহাঃ নুরুল ইসলাম বাদল জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আপন দুই ভাই বিরোধে জড়িয়ে পরে। এদের মধ্যে নবী হোসেন বাদী হয়ে থানায় এবং আরেক ভাই শহীদের স্ত্রী সুরমা বেগম বাদী হয়ে কোর্টে মামলা দায়ের করেন।
শাহ জাহান/বার্তা বাজার/এসবি