সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়া উপজেলার ২১ইউপিতে নির্বাচন চলছে। রাতে ব্যালট কেটে বাক্সে ঢোকানোর অভিযোগে স্থগিত করা হয় কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের কেড়াগাছি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ।
কলারোয়ার ইউএনও জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, ভোট ছাপপা মারার অভিযোগে এই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। কেড়াগাছি ইউনিয়নের হঠাৎগঞ্জ ও পশ্চিম বোয়ালিয়া কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ভোট দিতে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তার সমর্থক ভোটাররা রামকৃষ্ণপুর, বেইলিসহ তিনটি কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি।
অপরদিকে, একই ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে সদস্য পদপ্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
রোববার রাতে এই ইউনিয়নে সংঘর্ষের জেরে আহত হওয়া মেম্বার পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিক মোল্লা ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছেন।
এদিকে, তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়নের হাজরাপাড়া কেন্দ্র দখলের অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে নেয়।
একই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে ভোট গ্রহণকালে কেন্দ্রের বাইরে দুটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেলেও প্রশাসন তা অস্বীকার করেছে। সকাল থেকে মুষুলধারে বৃষ্টির কারণে ভোট গ্রহণ বিঘিœত হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোট কেন্দ্রগুলো ভোটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে।
চলতে থাকে ভোট গ্রহণ। কেন্দ্রগুলিতে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।
মীর খায়রুল আলম/বার্তা বাজার/অমি