সাতকানিয়া উপজেলার মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে ধর্মপুর কালাগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে ১২টি ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
যাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে- পুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুচ্ছফার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (১৬), একই এলাকার মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. ইব্রাহিম জাবেদ (১৫), আলাউদ্দিনের ছেলে মো. সুজাত চৌধুরী (১৫), আবু তাহেরের ছেলে মো.শাওয়াল হোসেন রাফি (১৬), কামাল উদ্দিনের ছেলে মো.জোবাইদুল্লাহ চৌধুরী সাইমন (১৬), আব্দুর ছফুরের ছেলে মো. সাকিব (১৮) ও রফিক আহম্মদের ছেলে মো. হাসান (১৬)।
পুলিশ হেফাজতে থাকা একজন পেশায় রাজমিস্ত্রি। তারর নাম হাসান এবং বাকিরা আলী আহমদ প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত এলে ধর্মপুর কালাগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার বেগম গত ২৬ আগস্ট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে বিকাল ৪টার দিকে সব কক্ষে তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। এরপরে ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে ফিরে তিনি দেখেন তিনটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রতিটি কক্ষ থেকে চারটি করে মোট ১২টি সিলিং ফ্যান চুরি গেছে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা করেন।
এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ধর্মপুরের একটি প্রাইমারি স্কুলে ফ্যান চুরির ঘটনায় ৭ কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে আছে। পরে নিয়মানুযায়ী তাদের চট্টগ্রাম শিশু আদালতে তোলা হবে।
বার্তা বাজার/এসবি