এবার দুদকের শীর্ষ ২৫ কর্মকর্তার পেছনে গোয়েন্দা

দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ২৫ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে অভ্যন্তরীণ ও সরকারের একট গোয়েন্দা সংস্থা।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এসব কর্মকর্তারা দুর্নীতিবাজদের ছাড় দিয়ে অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন, পাশাপাশি কিছু কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি অফিস থেকেও নিয়েছেন বিভিন্ন সুবিধা।

সরকারের সংস্থাটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে সম্প্রতি গঠিত কমিশনের অনুরোধে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা এই ২৫ কর্মকর্তার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। পাশপাশি দুদকও আলাদাভাবে এব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে।

সূত্র জানায়, অনুসন্ধানের মুখোমুখি হয়েছেন দুদকের ৩ পরিচালক, ১০ উপ-পরিচালক, ৮ সহকারী পরচালক ও ৫ জন উপ-সহকারী পরিচালক। দুদকের প্রত্যাশা, খুব শীঘ্রই ওই গোয়েন্দা সংস্থা থেকে একটি প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে দুদকের একজন কমিশনার জানান, কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোসহ আরও কিছু বিষয়ে সংস্কারের সুপারিশ করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি সম্প্রতি কমিশনের কাছে একটি গোপনীয় প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। কমিটি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম উল্লেখ করেনি, কিন্তু কমিশনের কর্মকর্তাদের একাংশের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হন সাবেক সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরেই কমিশনের অভ্যন্তরীনণ দুর্নীতি রোধ ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার জন্য ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর