১৮, অক্টোবর, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৭ সফর ১৪৪০

শাহজাদপুরে শতবর্ষ প্রাচীণ স্কুলে বাঁশের সাঁকোই পাড় হওয়ার একমাত্র ভরসা

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৮

শাহজাদপুরে শতবর্ষ প্রাচীণ স্কুলে বাঁশের সাঁকোই পাড় হওয়ার একমাত্র ভরসা

এম এ হান্নান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর এলাকার সবচেয়ে অবেহেলিত ৯নং ওয়ার্ড। এখানে নসাগরিক সুবিধা অপ্রতুল। শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা সব কিছুই যেন চলে অবজ্ঞা অবহেলায়। বর্ষা মৌসুমে ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলিতে পানি জমে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হয়।

এই ৯নং ওয়ার্ডের একটি প্রাচীণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১নং বাড়াবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯০৫ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টি শাহজাদপুর উপজেলার প্রথম প্রাথমিক বিদ্যালয় ফলে ১১৩ বছরে পা রেখেছে বিদ্যালয়টি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিদ্যালয় যাতায়াতের কোন সড়ক বা রাস্তা কোনটিই নেই। বিদ্যালয়ের সামনে বয়ে গেছে একটি শাখা নদীর ক্যানেল। মূল সড়ক থেকে বিদ্যালয় পর্যন্ত ১৫০ মিটার এলাকা সারা বছর পানিতে ডুবে থাকে। ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক,অভিভাবক সবাইকে বাঁশের তৈরী সাঁকো দিয়েই স্কুলে যেতে হয়। এই ক্যানেলটির উপরে কোন ব্রীজ কিম্বা সড়ক নির্মাণের কোন উদ্দ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা বিধায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সারা বছর বাঁশের সাঁকোর উপরে নির্ভর হয়ে থাকতে হচেছ। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় পা পিছলে পরে পানিতে হাবুডুবু খাওয়ার মত ঘটনা ঘটছে হরহামেশাই। এ ব্যাপারে বার বার পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোন সুরাহা হয়নি আজও। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা খাতন জানান, শাহজাদপুর উপজেলার সবচেয়ে প্রাচীণ বিদ্যালয় হিসেবে এখানে বিদ্যালয় সংযোগ রাস্তা অনেক আগেই হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টির অভাবে বারাবরই তা উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জেন্দার আলী জানান, এটি ইউনিয়ন পরিষদের কাজ হলে চেষ্টা করতাম, এটি হচ্ছে পৌরসভার কাজ। তাই আমার করনীয় নেই। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অতিদ্রুত ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের দূর্গভ লাগব করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।