গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এফ হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির নামের তালিকা পরিবর্তন করে দেড় বছরে চার লাখ ৩২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এ অভিযোগে দিনাজপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষে গাইবান্ধা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এ মামলাটি করেন রিপন মিয়া নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণ করে আদালত ৭ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এ মামলায় মূল আসামি করা হয়েছে- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এফ হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মোজাম্মেল হক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আমিন হোসেন, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, অফিস সহকারী ফিরোজ কবির, মোজাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম ও হাবিবুর বহমানকে।
অপরাধের সহযোগী হিসেবে মামলায় অপর আসামিরা হলেন- দিনাজপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের কর্মকর্তা, সোনালী ব্যাংক সুন্দরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এফ হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে উপজেলার চন্ডিপুর এফ হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির নামের তালিকা পরিবর্তন করে দেড় বছরে চার লাখ ৩২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন প্রতিষ্ঠান প্রধান, সভাপতিসহ শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের পর তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পায়। দীর্ঘদিনেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে মামলাটি করা হয়েছে।’
বার্তা বাজার/এসবি