বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন, গ্যাসের দাম বাড়লেও তা সহ্যসীমার মধ্যেই আছে

গ্যাসের দাম বাড়লেও তা মানুষের সহ্যসীমার মধ্যেই আছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যাতে মানুষ সহ্য করতে পারে।

মঙ্গলবার (০২ জুলাই) সচিবালয়ে দক্ষিণ কোরীয় রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ায় শুধু আবাসিক গ্রাহকদের ওপর চাপ বাড়বে। কিন্তু এর জন্য যে ভর্তুকি দেয়া হয়, তা বাকি ১৩ কোটি মানুষকে বহন করতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা কত সাবসিডি দিয়ে এই সেক্টর চালাব? এই জায়গায় সরকারকে অ্যাডজাস্ট করতে হবে। তারপরও গ্যাসের দাম এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে, যাতে মানুষ সহ্য করতে পারে। তবে কোনো কিছুর দাম বাড়লে তার একটা প্রতিক্রিয়া হয়, এটাই স্বাভাবিক।

টিপু মুনশি বলেন, আমাদের নিজস্ব সোর্স থেকে গ্যাস শেষ হয়ে আসছে। ভবিষ্যতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে আমাদের আরও বেশি বেশি গ্যাস আমদানি করতে হবে।

‘তবে আমদানিতে যে দাম পড়ছে সেভাবে বাড়ানোর কথা তো চিন্তাও করা যাবে না। তবে দাম কিছুটা তো সমন্বয় করতে হবে। চিন্তা ভাবনা করেই দাম বাড়ানো হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে বাসাবাড়িসহ সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক গ্রাহকদের রান্নাঘরে যাদের এক চুলা আছে, তাদের ৭৫০ টাকার পরিবর্তে প্রতি মাসে দিতে হবে ৯২৫ টাকা। আর দুই চুলার গ্রাহকদের প্রতি মাসে ৮০০ টাকার পরিবর্তে দিতে হবে ৯৭৫ টাকা।

গৃহস্থালিতে যাদের গ্যাসের মিটার রয়েছে, তাদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহারের জন্য ৯ টাকা ১০ পয়সার পরিবর্তে ১২ টাকা ৬০ পয়সা করে দিতে হবে। মিটারে ৩৮.৪৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

বার্তাবাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর