পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়ন থেকে উপজেলা শহরে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম কেশবপুর বাজার সংলগ্ন আয়রন ব্রিজটি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা। আহত হচ্ছেন পথচারীরা। এ ব্রিজটি যেন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
সরেজিমনে দেখা যায়, আয়রন ব্রিজটির স্ল্যাবগুলো ভেঙে গেছে। ভাঙা ব্রিজটি দিয়ে গাছের গুড়ি দিয়ে কোনভাবে চলাচল করেছেন মানুষ। ব্রিজটির সংযোগ সড়কেরও বেহাল দশা। ভারী যানবাহন চলতে পারে না এ পথে। বাট্যারী চালিত অটোরিকশা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। আহতও হয়েছেন অনেকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেশবপুর ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র কেশবপুর বাজার। এখানে রয়েছে কেশবপুর কলেজ, কেশবপুর মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কৃষি ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংক। এছাড়াও কেশবপুর, মমিনপুর, বাজেমহল, কমলাপুর ও মল্লিকডুবা গ্রামের হাজার মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ইউনিয়নটি নদী ও খাল দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এ ব্রিজটি। কিন্তু সেটির অবস্থা শোচনীয় হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।
বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও কেশবুপরের বাসিন্দা জেবুন্নাহার অনি বলেন,‘ হাজার হাজার মানুষের চলাচলের জন্য ব্রিজটি অতিগুরুত্ব পূর্ণ। পাকা স্ল্যাব ভেঙে মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। ব্রিজটি মেরামত করা জরুরি।
মো. রানা তালুকদার নামের এক যুবক বলেন, ‘ব্রিজের পাটা ভাঙা। সংযোগ সড়কেরও বেহাল দশা। চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে জনসাধারণের।
এ বিষয়ে কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন,‘ বিগত দিনে যারা জনপ্রতিনিধি ছিলেন তাদের অবহেলায় ব্রিজটির এ করুণ দশা। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরে ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. সুলতান হোসেন বলেন, ব্রিজটি মেরামতের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হান্নান/বার্তা বাজার/এসজে