নলখোলা বন্দর খালে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি আজও

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে নলখোলা বন্দর খালের ওপর নতুন সেতুর নির্মান কাজ এখনো শুরু করা হয়নি। গত অর্থবছরে এলজিইডির অর্থায়নে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে পুরাতন সেতুটির স্থলে ২৪ মিটার নতুন গার্ডার সেতু নির্মানের কাজ পায় পটুয়াখালীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এনায়েত কনস্ট্রাকশন।

দীর্ঘ ২৫ বছর আগের নির্মিত পুরাতন লোহার সেতুটি যেকোনো মূহূর্তে ভেঙে পড়ার আশংকা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও ছোট যানবাহন জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করেন। ২০১৪ সালে সেতুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও বন্ধ অথবা সেতুটির কাছে মানুষ ও যানবাহন যাতায়াতে সর্তকতামূলক কোনও সাইনবোর্ড টাঙানো হয়নি।

উপজেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ জামাল হোসেন বলেন, জরাজীর্ণ ওই সেতুটি যরকোন মূহুর্তে ভেঙে পড়তে পারে তাই দ্রুত নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, ঝুকিপূর্ণ পুরাতন সেতুটি ভেঙে ফেলা উচিৎ। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাময়িক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও মানুষের জীবন বাচঁবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জুয়েল আমীন প্যাদা বলেন, পুরাতন সেতুটিতে মোটরসাইকেল উঠলে এবং অতিরিক্ত মানুষ যাতায়াতের সময় দোলে ওঠে। এছাড়া সেতুটির লোহার বীমগুলো মরিচা ধরে পুরোপুরি ক্ষয় হয়ে গেছে। সেতুর ওপরের অংশ ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, সেতুর দুই পাশে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে না নেওয়ায় নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেতুর দুই পাশে দোকান ঘর নির্মাণ করে রাখা দখলদারদের উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়া হবে।

পটুয়াখালীর এনায়েত কনাষ্ট্রাকশনের স্বত্বাধীকারী মোঃ এনায়েত হোসেন বলেন, গত জুনে সেতুটি নির্মানের জন্য আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পেয়েছে বর্ষা মৌসুমের কারণ কাজ শুরুতে বিলম্ব হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করা হবে।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর