লালপুরের পদ্মায় গোসল করতে নেমে স্রোতে নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন পরে পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী পাপড়ীর (১১) মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পদ্মানদীর গৌরীপুর তালতলা এলাকায় থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে পদ্মা নদীর লক্ষীপুর ঘাটে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় লক্ষীপুর গ্রামের জুলহাস উদ্দিন পাখির মেয়ে পাপড়ী। পাপড়ী আসিয়াতনুরানী কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ‘শুক্রবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে পদ্মানদীর গৌরীপুর তালতলা এলাকায় পাপড়ীর মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা নদীর লক্ষীপুর ঘাটে পাপড়ি (১১) ও তার খালাতো বোন রানী (১১) নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় ২ জন স্রোতে ভেসে গেলে রানীর মা কোহিনূর বেগম রানীকে উদ্ধার করতে পারলেও, পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় পাপড়ি।
খবর পেয়ে লালপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল যৌথ ভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও পাপড়ীর খোঁজ না পেয়ে প্রথম দফা উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। পরে শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফা উদ্ধার অভিযান চালিয়েও পাপড়ীর কোন সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
আশিকুর রহমান টুটুল/বার্তা বাজার/এসজে