বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে আফগানিস্তানের বিষয়ে তার পররাষ্ট্র নীতির সিদ্ধান্ত নেবে, অন্য কোন দেশের দ্বারা প্রভাবিত হবে না বলে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো আফগানিস্তান ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলডিসি থেকে উত্তরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বৈঠকে যোগ দিতে ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ড সফর করেন, এ সময় তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমেনিক রাবের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, ‘ইউরোপ সফরকালে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের নীতি অনুসরণ করবে কীনা, কিন্তু তিনি এটা স্পস্ট করে দিয়েছেন যে, এই ব্যাপারে ঢাকার সিদ্ধান্ত স্বাধীন হবে।’
সার্কের সদস্য রাষ্ট্র আফগানিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের নীতি আফগান সরকারের মনোভাব এবং নীতির উপর নির্ভর করবে। তিনি বলেন, ঢাকা রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসা একটি জনগণের সরকারে বিশ্বাস করে। কিন্তু আমরা কোনোভাবেই কোনো সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা করবো না।’
এর আগে বুধবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, ঢাকা আফগানিস্তানের অন্তবর্তীকালীন সরকারকে স্বাগত কিংবা স্বাগত না জানানোর সিদ্ধান্তে পৌঁছেনি, বরং সেখানে একটি স্থায়ী সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকা এখনো পরিস্থিতি খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’ আমরা তাড়াহুড়ো করে কিছু করতে চাই না। আলম বলেন, আফগানিস্তানে যে কোন যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দিকে ঢাকার মনোযোগ এখনো রয়ে গেছে।
বার্তা বাজার/এসবি