চুয়াডাঙ্গায় র্যাব ও প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযানে বাগান পাড়ার একটি দোতালা বসতবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নামীদামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী দ্রব্য জব্দ করা হয়।
পরে ওই বাড়িরর গুদামটি সিলগালা করা হয়। এছাড়া নকল প্রসাধনী মজুদ রাখার অপরাধে গুদাম মালিক গোলাম মোস্তফাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন জেলা প্রসাশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান থেকে জানা গেছে, শহরের বাগানপাড়ায় পুলিশ সদস্য মবিরুল ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে ভাড়া থাকেন গোলাম মোস্তফা (৩৮)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার নওলামারী গ্রামের রিকাত আলীর ছেলে। ওই ভাড়া বাড়িতে নকল প্রসাধনী মজুদ করে ব্যবসা করে আসছেন তিনি।
দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের মুন সুপার মার্কেটে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অভি-অনিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে কিছু নকল প্রসাধনী জব্দ করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। বাড়ির গুদাম থেকে জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান জানান, নকল প্রসাধনী মজুদ রাখার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪১ ধারায় গুদাম মালিক গোলাম মোস্তফাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ র্যাব- ৬ এর কম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ শরীফুল আহসান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের চুয়াডাঙ্গা কার্যালয়েরর সহকারি পরিচালক সজল আহমেদ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চুয়াডাঙ্গা জেলা কর্মকর্তা মিলন মিয়া।
অন্তর কুমার ঘোষ/বার্তা বাজার/অমি