পাবনায় গণপূর্তের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে লাঞ্চিতের ঘটনায় অভিযুক্তু ঠিকাদারকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারি ও প্রকৌশলীগণে’রা।
বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণপূর্ত ভবনের প্রধান ফটকের সামনে এই প্রতিবাদ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রতিবাদকারীরা বলেন, সরকারি কাজে দায়িত্ব পালন কালে সংম্লিষ্ঠ দপ্তরের ঠিকাদার কর্র্তৃক বর্বরোচিত এই হামলার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে এই ঘটনার প্রধান আসামী স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদার মোকছেদুল আলম নয়নকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করে। একই সাথো তারা মানবন্ধনে চার দফা দাবি তুলে ধরেন গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে। দাবী সমূহ হলো, আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করা, আজীবনের জন্য কাজের লাইসেন্স বাতিল, গণপূর্ত অফিসে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদারসহ কর্মক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
এদিকে এই ঘটনার পরে মামলার প্রধান আসামী ঠিকাদার নয়ন তার নিজের মুঠোফোন বন্ধ করে আত্ম গোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল পাবনা মোঃ রোকুনুজ্জামান।
তিনি বলেন, মামলা নখিভুক্ত হওয়ার পরে আমরা আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু তাকে বাসাতে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছি আমরা। আশা করছি খুব সল্প সময়ের মধ্যে তাকে আইনের আওয়তায় নিয়ে আসা যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ৬সেপ্টম্বর সকালে মেসার্স নুর কনস্ট্রাকশনের সত্ত্বাধীকারী মোঃ মোখসেদুল আলম নয়ন গণপূর্ত অফিসে কর্মরত প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস ছাত্তারকে নিজ অফিস কক্ষেই লাঞ্চিত করে। লাঞ্চিত হওয়া প্রকৌশলী পাবনা জেলা গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগ-২ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী। চলমান কাজের অগ্রগতী ও অসমাপ্ত কাজ শেষ করার কখা বল্লে ক্ষিপ্ত হয়ে ঠিকাদার নয়ন তাকে কক্ষের মধ্যেই মারপিট করেন। এই ঘটনায় ভূক্তভোগী প্রকৌশলী ওইদিন বিকালে নিজে বাদী হয়ে পাবনা সদর থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের পরে ৭ সেপ্টম্বর দুপুরে একজনকে আসামী করে মামলা নথিভুক্ক করে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার ৭২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও সেই প্রভাবশালী ঠিকাদারকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পরইে ঠিকাদার নয়ন আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মোঃ মাসুদ রানা/বার্তা বাজার/অমি