এক সপ্তাহ ধরে ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিদ্যুৎবিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বাসিন্দারা। গত এক সপ্তাহ ধরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। দিনে কম হলেও রাতে তিন থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে উপজেলার মানুষ।
স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বন্ধ করা হয় না। দুটি পাওয়ার প্ল্যান্টে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ চলছে। মেরামত শেষ হলে এমন লোডশেডিং হবে না।
হারজাবাড়ী পৌর এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হাসান বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে লোডশেডিংয়ের কারণে রাতে ঘুম হয় না। সন্ধ্যার পরে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর চলে যায়। আবার রাত ১১টায় বিদ্যুৎ আসলে আধা ঘণ্টার মতো থাকে। এই গরমে রাতের লোডশেডিংয়ে খুব হচ্ছে।’
বেলতৈল এলাকার অটোরিকশা চালক মজনু মিয়া বলেন, ‘বিদ্যুতের বিভ্রাটে অটোরিকশা চার্জ দেওয়া যায় না। সারা রাতে দুই-তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকায় সামান্য চার্জ হয়। কিন্তু ওই চার্জে তিন-চার ঘণ্টার বেশি চালানো যায় না। কয়েক দিন ধরে দুপুর হলেই চার্জ শেষ হয়ে যায়। তখন অটোরিকশা নিয়ে ফিরে আসতে হয়। কারেন্ট থাকলেও ভোল্টেজ খুবই কম।’
ছবিলাপুর এলাকায় শিক্ষার্থী আবু হানিফ বলেন, বিদ্যুতের জন্য অভিযোগ কেন্দ্রে বারবার ফোন দিলও রিসিভ করে না। নানান ভাবে গ্রাহকদের হয়রানি করছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।
মেলান্দহ পল্লিবিদ্যুতের জোনাল অফিসের এজিএম শোয়েব আহমেদ বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘ সময় জামালপুরের ইউনাইটেড ও শিকদার পাওয়ার প্ল্যান্টের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়নি। তাই দুটি পাওয়ার প্ল্যান্টের রক্ষণাবেক্ষণে জন্য প্রতিদিন কাজ চলছে। তাই জামালপুর গ্রিডে লো-ভোল্টেজ এবং আন্ডার ফ্রিকোয়েন্সি চলছে। তাই ঘনঘন লোডশেডিং হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ১৫ তারিখের মধ্যেই শেষ হবে। কাজ শেষ হলে তেমন লোডশেডিং আর হবে না।
মোঃ ইমরান মাহমুদ/বার্তা বাজার/টি