দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস রুমে পা রাখেনি শিক্ষার্থীরা। প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বেশি হতে পারে।
তাই প্রথম দিন শিক্ষক ও কমর্চারীরা শিক্ষার্থীদের ফুল ও করোতলির মাধ্যমে স্বাগত জানাতে নির্দেশনা দিয়েছেন যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এ কে এম গোলাম আযম।
শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে ফুল কলম, তা যদি সম্ভব না হয় তাহলে সারিবদ্ধ ভাবে দাড়িয়ে করোতালির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাবেন জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা।
এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলায় নির্দেশনায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো পরিস্কার পরিছন্ন করতে ব্যাস্ত সময় পার করছে যশোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা।
পরিস্কার পরিছন্নতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানতে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে মতাবেকও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
সরজমিনে জেলা শহরের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, চলছে এমন সাজসজ্জা, পরিস্কার পরিছন্নতার কাজ। শিক্ষকেরা বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু শুনে শিক্ষার্থীরা অতি আনন্দিত। সেই সাথে আমরাও আনন্দিত। কারন আমরা শিক্ষক, তাই আমরাও ছোট বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করি।
শিক্ষার্থীদের ছাড়াও ভালো লাগে না। ছাত্র ছাত্রীরা নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করছে। তবে বিদ্যালয়ে আসার পর শিক্ষার্থীরা কতটুকু স্বাস্থ্য সচেতন থাকবে এবিষয়ে সংশয়ে ভুগছে কিছু অভিভাবকেরা।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলম বার্তা বাজার কে বলেন, জেলায় মোট ১হাজার ২৭৯ টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বরাবর নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। শুধু মাত্র ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস এবং বাকিদের সপ্তাহে একিদন ক্লাস নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য নানারকম শিক্ষা মূলক ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার এ কে এম গোলাম আযম বার্তা বাজার কে বলেন, যশোর জেলায় মোট ৫২৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন বিষন্নতায় না ভোগে এর জন্য প্রথম দিন (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার্থীদের ফুল অথবা কলম, অথবা করোতালি দিয়ে স্বাগত জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এটাকে আমি একটি ব্যাতিক্রমি উদ্যেগ বলে মনে করছি। এবং আমি মনে করছি শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
এ্যান্টনি দাস(অপু)/বার্তা বাজার/টি