অধিকাংশ স্কুলে দপ্তরি নেই, ধোয়ামোছা করছেন শিক্ষকেরা

সারাদেশে আর কদিন পরই খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতিমূলক আনন্দের সহিত চলছে ধোয়ামোছার কাজ। তবে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ৭৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধিকাংশ স্কুলে দপ্তরি না থাকায় ধোয়ামোছার কাজে ব্যস্ত সহকারি শিক্ষকেরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে জানা যায়, সারাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের কারণে গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ধুলাবালি ও ময়লা আবর্জনা আস্তরণ পরেছে। সরকার স্কুল খোলা ঘোষনা দেওয়ার পরেই শুরু হয়েছে ধোয়ামোছার কাজ। সরেজমিনে ওই উপজেলায় দেখা যায়, মুনিগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালদাস পাড়া ডাঙ্গী রাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাওয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে বে আসবাপত্র পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ ছাড়াও আজ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লালগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালেয়র আশপাশে জমে থাকা আগাছা পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। এবং কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের রঙয়ের এর কাজ করতে দেখা যায়।

লাল গছ সরকারি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ে কোন দপ্তরি না থাকায় আমরা সব শিক্ষক মিলে পরিষ্কার পরিছন্নতা করতেছি। মুনিগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারি শিক্ষিকা সুফিয়া হোসাইন জানান, আমাদের স্কুলে দপ্তরি আছে। অনেক কাজ থাকায় তার একার পক্ষে সম্ভব না, তাই আমরা সব শিক্ষক মিলে পরিষ্কার পরিছন্নতা করেছি।

কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের সাথে আলোচনা করা হলে তারা বলেন, সরকার স্কুল প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে দীর্ঘ ১৮ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যাওয়ার আশষ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, স্কুল প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষনা শুনে পরিষ্কার পরিছন্নতার কাজ শুরু করছে স্কুল শিক্ষক ও দপ্তরিরা।

এস, এম আল-আমিন/বার্তা বাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর