উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে তার পরিবারের আবেদন আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেছে।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদনে মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে আজ আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেছে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল বলেছিলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে তার পরিবারের করা আবেদনে মতামত দিয়ে তা আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে কি মতামত দেওয়া হয়েছে সেটা জানাননি তিনি।
গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর এ আবেদন করেন। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে আবেদনটি ফের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।
এর আগে শনিবার (২৮ আগস্ট) আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া বিদেশে যেতে চাইলে কারাগারে গিয়ে নতুন করে আবেদন করতে হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা সরকারের ক্ষমতা। এ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে তাকে আবারও কারাগারে যেতে হবে। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হবে।
তিনি আরও বলেছিলেন, যে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সেই আলোকে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই আবেদন নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
গত ১৫ মার্চ খালেদা জিয়ার কারাভোগের মেয়াদ ছয় মাস স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর এ মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগে চারবার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া হয়।
বার্তা বাজার/নব