অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন মুনিয়া: মেডিকেল রিপোর্ট

কলেজ শিক্ষার্থী মোশারাত জাহান মুনিয়া মৃত্যুর আগে অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। আদালতে দাখিল করা মুনিয়ার মেডিকেল রিপোর্টে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এদিকে আত্নহত্যার প্ররোচনার মামলা খারিজের পর বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবাহান আনভীর, আনভীরের বাবা বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, আনভীরের মা আফরোজা বেগম, আনভীরের স্ত্রী সাবরিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা ও ধর্ষণের মামলা করেছেন মুনিয়ার বোন নুসরাত। এ মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নাম্বার সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবাহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্নহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন মুনিয়ার বোন। মুনিয়া কিভাবে মারা গেল তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মেডিকেল রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হয়।

গত ১৬ আগস্ট আদালতে দাখিল করা মেডিকেল রিপোর্টে জানা যায়, মুনিয়া ২ থেকে ৩ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

ডিএনএসহ আনুষাঙ্গিক পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগপর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না বলেও মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এসব রিপোর্ট আসার আগেই গত ১৮ আগস্ট আনভীরকে খালাস দেন আদালত।

এবার মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর আনভীরসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা ও ধর্ষণ মামলা করেছেন মুনিয়ার বড় বোন। মুনিয়া যে বাসায় থাকতো সে বাসার মালিককেও মামলার আসামি করা হয়েছে।

আদালত বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তে পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মুনিয়ার বোন নুসরাত বলেন, আসামি আনভীরসহ আটজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেছি। বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হয়ে মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত দিয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত মামলার ব্যাপারে বসুন্ধরা গ্রুপের আইনজীবীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বার্তা বাজার/নব

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর