গোপনে সরকারি স্কুলের কক্ষ বিক্রি!

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত কক্ষ গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি দাউদ মোল্যা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে জাহিদ শেখ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি গত ২৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের ৪৭নং খাগড়াবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘর নিলাম ছাড়াই এক বছর আগে গোপনে বিক্রি করে দেন বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি দাউদ মোল্যা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান। পরে বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে খোঁজ নিলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি দাউদ মোল্যা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা স্কুলের কক্ষ বিক্রির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।

এদিকে স্কুল পরিচালনা কমিটির দ্বন্দ্বের কারণে কেউ এমন অভিযোগ দিতে পারেন বলে জানান ওয়াহিদুর রহমান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোহরা খাতুন বলেন, আমি ২০১১ সালে স্কুলে যোগদানের সময় সেখানে একটি টিনের কক্ষ দেখেছি। পরে ওই কক্ষের কিছু জরাজীর্ণ টিন, ভাঙা আসবাবপত্র, কাঠ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলাম এবং টাকাগুলো স্যারের কাছে দিয়েছিলাম। তার মাধ্যমে সে টাকাগুলো দিয়ে একটি ল্যাপটপ কিনেছি।

এ বিষয়ে কাশিয়ানী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্কুলের কোনো কক্ষ নিলামে উঠেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

বার্তা বাজার/নব

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর