ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পর্দা দিয়ে আফগান বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু
তালেবানের অধীনে সোমবার থেকে আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলতে শুরু করেছে। এক রুমে ছাত্র-ছাত্রী বসলেও মাঝে পর্দা টানানো হয়েছে। পর্দার এক পাশে ছাত্ররা ও অন্যপাশে রয়েছে ছাত্রীরা।
তালেবান ক্ষমতা দখলের পর ঘোষণা করেছিল, ইসলামি আইন অনুযায়ী নারীদের অধিকার ও সম্মান রক্ষা করা হবে। এবার দেখা গেল ক্লাসরুমে ছেলে শিক্ষার্থী ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে পর্দা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা আমাজ নিউজ দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ক্লাস রুমে এক পাশে ছেলেরা ও অন্য পাশে মেয়েরা বসেছে আর মাঝে পর্দা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তালেবান এক নির্দেশনা জারি করে বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্রীদের বোরকা পরার কোনো আদেশ না থাকলেও তাদের অবশ্যই আবায়া এবং নিকাব পরতে হবে।
নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাস কেবল নারী শিক্ষক নিতে পারবেন। আর নারী শিক্ষক না থাকলে ভালো চরিত্রের বৃদ্ধ শিক্ষক ক্লাস নিবেন। সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে ছাত্রীদের জন্য নারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে তালেবানের শিক্ষা কর্তৃপক্ষ।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের শাসনকাল নারী শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা ও কর্মে বিশাল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে তাদের শাসনের অবসান হলে আফগানিস্তানে বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বেড়ে যায়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের পাশাপাশি ছাত্রীদের ভর্তির হার বেড়েছিল। তখন ছাত্রদের সঙ্গে ক্লাসরুমে পাশাপাশি বসা ও পুরুষ শিক্ষকের ক্লাস করার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের বাধা ছিল না।
বার্তা বাজার/নব