১৬, অক্টোবর, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৫ সফর ১৪৪০

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় জাপান

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৮

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় জাপান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছে জাপান, একই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনে দু’দেশের পাশে আছে দেশটি।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় বাংলাদেশ সফরকারী জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোর সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

বৈঠকে মিয়ানমারের শরণার্থী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনে জাপানকে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ দমনে সহায়তা এবং হলি আর্টিজান হামলার পর বাংলাদেশ ভ্রমণে জারি করা জাপান সরকারের ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন: রোহিঙ্গা সংকট দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আসলে আমাদের দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। জাপান রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনে আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক শান্তি-নিরাপত্তার স্বার্থে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আমরা সম্মত হয়েছি। হলি আর্টিজান হামলার ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। আশাকরি জাপান সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সঙ্গে আছে এবং সব দিক বিবেচনা করে জারি করা ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনা করবে।

 

২০২২ সালে দুইদেশ একসাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করবে বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে দুই দেশের প্রতি জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনে জোর দেন তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে একদিনের সফরে ঢাকা আসেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো। মিয়ানমার সফর শেষে তিনি ঢাকায় আসেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। সন্ধ্যায় দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন।